
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন শুনানির কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের একজন বিচারপতির বাড়ি আর রিটকারী মনিরা শারমিনের বাড়ি একই গ্রামে। এ কারণে রিটটির শুনানি নিতে বিচারক অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে আদালত রিটটি আউট অব লিস্ট করেন।’
সোমবার (৪ মে) বিচারপতি আহমেদ ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আনোয়ার ও মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান ও অ্যাড. মোহাম্মদ হোসেন লিপু।
আইনজীবীরা জানান, রিট আবেদনটি মঙ্গলবার (৫ মে) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।
এর আগে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মনিরা শারমিন বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করেন।
গত ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা এনসিপি নেত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য নন।
এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি ২৬ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন জমা দেন। তবে পরদিন দীর্ঘ শুনানির পর নির্বাচন কমিশন তার আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
মনিরা শারমিনের হলফনামার তথ্যানুযায়ী, তিনি ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। সে হিসাবে চাকরি ছাড়ার পর এখনো তিন বছর পূর্ণ হয়নি।












































