বিয়েতে লাগবে বর-কনের ফেসবুক আইডি

0

সাত্তার আজাদ :: একটি বিয়ের আলাপ নিয়ে ঘটেছে মজার ঘটনা। সিলেটের পাত্রের সাথে একই শহরের পাত্রীর বিয়ের আলোচনা হচ্ছিল। উভয়ই পার্শ্ববর্তী পৃথক দুই উপজেলা থেকে সিলেটে এসে স্বপরিবারে বসবাস করছেন। পাত্র-পাত্রীর আনুষ্ঠানিক দেখা-সাক্ষাত হয় শনিবার। একেঅপরকে পছন্দও হয়। এক পর্যায়ে পাত্র, পাত্রীর ফেসবুক আইডি দেখতে চাইলেন। তিনি প্রোফাইল খোলা (আনলক) অবস্থায় পাত্রীর ফেসবুক আইডি দেখার প্রস্তাব করেন। এসময় পাত্রীও পাত্রের ফেসবুক আইডি দেখার পাল্টা প্রস্তাব করেন। এ অবস্থায় পাত্র পাত্রীকে ফেসবুকের এড্রেস জানিয়ে দেন শনিবার বিকেলেই। কিন্তু পাত্রী তার ফেসবুক আইডির এড্রেস দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় সোমবার পাত্রপক্ষ এই বিয়ে নাকচ করে দেন।
উভয় পরিবারের সামাজিক মর্যাদাহানী ঘটার আশংকায় নাম পরিচয় গোপন রাখা হয়।

সাদা পাথরের বহুরুপি সুন্দর্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে দেশি-বিদেশী পর্যটক’কে

0

তারিকুল ইসলাম:-প্রকৃতি কন্যা সিলেটের একমাত্র প্রাকৃতিক বহুরুপি পর্যটন কেন্দ্র ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা কোম্পীগঞ্জে অবস্থিত।

প্রকৃতিগত ভাবে সৃষ্ট এই পর্যটনকেন্দ্রের রুপ ও লাবণ্য যেন মহান সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে ঢেলে সাজিয়েছেন। নতুন এই পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণ করে বিমোহিত হচ্ছে দেশ-বিদেশের লাখো-লাখো পর্যটক।

বর্তমানে বাংলাদেশের পর্যটন বলতে ভ্রমনপিয়াসীরা সিলেট জেলাকেই বেঁছে নিয়েছেন,আর সিলেটের মধ্যে অন্যতম নান্দনিক ও দর্শনীয় প্রাকৃতিক স্থান হিসাবে সুখ্যাতি পেয়েছে ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর।দিন দিন বারছে সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রের সুখ্যাতি। তাইতো চলতি বছরের ছয় মাসে শুধু মাত্র সরকারী ছুটিতেই নতুন পর্যটন কেন্দ্র সাদা পাথরে পর্যটকদের আনাগোনা হয়েছে প্রায় ৫ লাখ বলে এলাকাবাসী দাবি করেছিলেন।

natural beauty

সিলেটের অন্যন্য পর্যটন কেন্দ্রে যেতে যেখানে যাতায়াত ব্যাবস্থা অত্যন্ত নাজুক অবস্থা সেখানে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর দেখতে বাংলাদেশের প্রথম আরসিসি ঢালাই সড়কে (ভোলাগঞ্জ-সিলেট)এসে নিজেকে কালে স্বাক্ষী করতে সৌভাগ্য হবে আপনার। কেননা দেশের দূরপ্রান্ত ভ্রমনের ক্লান্তি জুরিয়ে যাবে নিরাপদ এই সড়ক দিয়ে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর দেখার পরেই।
যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় সিলেটের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রের সুন্দর্যকে ছাপিয় ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের বিমোহিত করছে। দুই দিকে সবুজ পাহাড় আর পাহাড়ের বুক চিরে সবুজ জল রাসি চুয়ে চুয়ে পড়ছে সাদা পাথরের বুকে। দিনের ভিবিন্ন সময়ে বহুরুপী সুন্দর্য বিলাচ্ছে এই সাদা পাথর।রুদ্রের আলোতে জলের নিচে চিক চিক করে এই সাদা পাথর জানান দেয় দেশের একমাত্র জলরোপা আর রুদ্রে খেলা দেখতে চলে এসো ভোলাগঞ্জে।বুক পেতে দিব আথিত্যপ্রিয় ভোলাগঞ্জে।এই সাদা পাথর পর্যটন স্পটের থেকে মাত্র ৩০০গজ দুরেই অবস্থিত দেশের প্রথম রোপওয়ে দৃষ্টিনন্দিত “ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে”।যা দেখলে শহড়ের ইট পাথরে নিচে বাস করার ক্লান্তি নিমিসেই ভুলে যাবেন

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের এই নতুন পর্যটন কেন্দ্রের খ্যাতি ছড়ানোর কারন উপজেলায় কর্মরত সংবাদকর্মীদের বিশেষ অবদান। এছাড়াও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জীর উদ্যোগে প্রকৃতি কন্যা সাদা পাথরকে পর্যটকদের আগ্রহী করে তুলতে ভিবিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এই সব কার্যক্রমের মধ্যে সম্প্রতি ভোলাগঞ্জ এলসি ঘাট এলাকায় গাড়ি পার্কিং এলাকা স্থাপনে উদ্দেগ গ্রহন এবং সাদা পাথর এলাকায় ভাতরুম স্থাপন ও পাকঘর নির্মান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পাশা পাশি স্থানীয় থানা থেকে সকাল সন্ধ্যা পুলিশের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা গড়ে তুলা এবং স্থানীয় বর্ডার গার্ডের নিরাপত্তা দেওয়ার আগ্রহী হওয়ায় এই সাদা পর্যটকদের জন্য শতভাগ নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে সুখ্যাতি পেয়েছে।

নি:ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যাষ্টিত সাদা পাথরের সুন্দর্যকে দেখতে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডেকে নিয়ে আসছে।

বর্তমানে ভোলাগঞ্জ-সিলেট সড়ক আরসিসি ঢালাই পাকা করনের ফলে ঈদ উল ফিতরের ছুটিতে ৩/৪ লাখ পর্যটকের সমাগম আশা করছেন স্থানীয়রা।

সিলেট শহরের আম্বরখানা হতে অটোরিকশা ও বাসে চড়ে সরাসরি ভোলাগঞ্জ আসতে পারবেন । ৩৫কিলোমিটার সড়কে জনপ্রতি বাস ভাড়া হবে ৬০টাকা এবং অটোরিক্সা ভাড়া ১৪০ টাকা লাগবে।এর এরপর ভোলাগঞ্জ এলসিঘাট থেকে ছোট ইঞ্জিন নৌকা রিজার্ভ করে বহুল আকাংখিত সাদা পাথরে এসে পরবেন।যাওয়া আসা নৌকা ভাড়া নিবে ৮০০টাকা।

সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে সাদা পাথর দেখতে আসা পর্যটকেরা একই পর্যটন কেন্দ্রে সাদা পাথর দেখার পাশা পাশি একই সাথে তিনটি পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমনের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। জাফলং,বিছনাকান্দি ও সাদা পাথর এই তিনের সমন্নয়ে সৃষ্টি অপার সুন্দর্যমন্ডিত সাদা পাথর অঞ্চল।বিস্বাস না হলে এক বার ঘুরেই দেখতে পারেন।আর একবার দেখার সৌভাগ্য হলে বার বার আসতে মন চাইবে আপনার।

আপনি চাইলে সাদা পাথর দেখার পরেও সিলেটের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলি ঘুরে দেখতে পারেন কেননা সিলেট ভোলাগঞ্জ সড়ক আপনাকে সবকয়টি পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরার সুযোগ করে দিয়েছে।এই সড়ক দিয়েই আপনি সব কয়টি পর্যটন কেন্দ্রে যাতায়াত করতে সুবিধা পাবেন।

 

এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী বলেন- পবিত্র ঈদ উল ফিতরের ছুটিতে দেশ ও বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখোরিত হবে নতুন এই পর্যটন কেন্দ্রটি। পর্যটকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া এই পর্যটন কেন্দ্রে উপজেলা প্রশাসনের নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেয়া সতর্কতা বজায় রেখে আনন্দ উপভোগ করতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সুড়ি কান্দি যুবসমাজ কতৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিল সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন

0

বৃহত্তর সুড়িকান্দি যুবসমাজ কতৃক আয়োজিত দাসের বাজার আলী কম্পেক্সে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে ২নং দাসের বাজার ইউপি চেয়ারম্যান জনাব কমর উদ্দিন সাহেবের সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব সোহেব আহমদ সাহেব, ও বিসেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাজ উদ্দিন সাহেব,ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাবা রেহানা বেগম (হাসনা),ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব রফিকুল ইসলাম (সুন্দর) সাহেব, ও দাসের বাজার ইউনিয়নের শীষ্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ

বিদেশে পৌঁছানোর আগেই কাভার্ডভ্যান থেকে চুরি হতো পণ্য!

0

গার্মেন্টসের রেডিমেড পণ্য বিদেশে রপ্তানির জন্য কার্টনে করে তা কাভার্ডভ্যানের মাধ্যমে পাঠানো হতো শিপমেন্টে। কিন্তু বিদেশে শিপমেন্টের আগেই পথিমধ্যে একটি চক্র কাভার্ডভ্যান থেকে কার্টন খুলে কিছু পণ্য চুরি করে সরিয়ে রাখত। এরপর রেডিমেড পণ্যগুলো বিদেশে রপ্তানির পরে ওই দেশের বায়ার তার অর্ডার করা মালামাল সঠিকভাবে বুঝে পেত না। ফলে রপ্তানি করা পণ্যের পেমেন্ট দিতে ও ভবিষ্যতে তাদের কাছে থেকে মালামাল নিতে অস্বীকৃতি জানায় বায়াররা।
এমন এক চোর চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি’র গোয়েন্দা (সিরিয়াস ক্রাইম) বিভাগ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, মো. রাসেল ওরফে শাহজাহান, মো. মনির হোসেন, মো. খোরশেদুল আলম ওরফে মামুন, মো. নাজিম, মো. মধু শেখ ও মো. আ. করিম।
এ সময় তাদের কাছ থেকে মেসার্স লেনী অ্যাপারেলস লি. এর ২৫৯ কার্টনে থাকা ৩ হাজার ১০৮ পিস রেডিমেড গার্মেন্টস প্যান্ট ও একটি কাভার্ডভ্যান উদ্ধার করা হয়।
আজ দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. আবদুল বাতেন।তিনি জানান, গার্মেন্টসের রেডিমেড পণ্য চুরি হওয়াটা দেশের গার্মেন্টস শিল্পের জন্য চরম ক্ষতিকর। গতকাল  রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকায় কার্টন খুলে মালামাল চুরি করার সময় চোর চক্রের এই সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।
চোর চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চোরাই ও ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য। তারা পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের গার্মেন্টসের মালামাল বিদেশে প্রেরণের সময় কার্টন খুলে প্রতিটি কার্টন থেকে কিছু মালামাল বের করে। এরপর অনুরুপভাবে কার্টন করে সাজিয়ে তা চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে দেয়। ফলে বিদেশে পৌঁছার পর আমদানিকারকরা কার্টন খোলার পর মালামাল কম পায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন কোম্পানিকে জরিমানা প্রদানও করতে হয়। পরবর্তী সময়ে ওই আমদানিকারক বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যবসা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।’
আবদুল বাতেন বলেন, ‘গত কিছু দিন যাবৎ গামের্ন্টস রপ্তানি পণ্যের এরকম বেশ কয়েকটি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আর এ সংক্রান্ত দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও দায়ের করা হয়েছে।’
তেমনি একটি মামলার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ৩০ মে রাত ৩টায় মেসার্স লেনী অ্যাপারেলস লি. থেকে ২৫৯ কার্টন যার প্রতিটি কার্টনে ১২ (বার) পিস করে সর্বমোট ৩ হাজার ১০৮ পিস রেডিমেড গার্মেন্টস প্যান্ট, চালান কাস্টম ক্লিয়ারেন্স করে বুঝে নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা করে। কিন্তু ওই কাভার্ডভ্যানটি মালামালসহ চট্টগ্রাম বন্দরে না পৌঁছে নিখোঁজ হয়। এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে এই চোর চক্রের সাত সদস্য গ্রেপ্তার হয় ডিবি পুলিশের হাতে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

টয়লেটের পানি দিয়ে তৈরি হচ্ছে চাটনি, ধরা পড়লো ক্যামেরায়!

0

রাস্তার পাশে প্রতিনিয়তই হরেক রকমের সুস্বাদু খাবার বিক্রি হচ্ছে। তেঁতুল ও শুকনো মরিচের মিশ্রণে টক জাতীয় খাবারগুলো যে কারোরই জিভে জল নিয়ে আসে। তবে এ খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে সর্বদাই প্রশ্ন রয়েছে। এবার ক্যামেরায় ধরা পড়লো চাটনি তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে টয়লেটের পানি।
ভারতের মুম্বাই নগরীর ব্যস্ত রাস্তায় খাবারের মধ্যে টয়লেটের পানি মিশিয়ে বিক্রি করছেন এক ব্যক্তি। ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাণিজ্যনগরীর এক ইডলি বিক্রেতা ইডলির চাটনি তৈরি করছেন পাশের রেল স্টেশনের টয়লেটের পানি দিয়ে। সময় তারিখ না থাকলেও ৪৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে ধরা পড়েছে পুরো ঘটনা।
ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতের এক ইডলি বিক্রেতা রেলের টয়লেট থেকে ক্যানে জল ভরছেন। পরে তা নিয়ে গিয়ে ইডলির চাটনি বানাচ্ছেন।
সেই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এ নিয়ে একটি তদন্ত শুরু করেছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। ভিডিওটি নিয়ে এফডিএর মুম্বাই প্রধান শৈলেশ যাদব সংবাদমাধ্যমে বলেন, ভিডিওটি দেখেছি। ওই হকার ও অন্যান্য যারা ওভাবে ব্যবসা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই হকারকে ধরতে পারলে তার লাইসেন্সে কেড়ে নেওয়া হবে।

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ

0

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্থানীয় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শেরপুর থানায় দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়।
ওই দুই আসামি হলো জামাল শেখ (১৬) ও শাহ জামাল (২৮)। মামলার পর অভিযান চালিয়ে জামাল শেখকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা যায়,শেরপুরের ভবানীপুর দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র মো. জামাল শেখ দীর্ঘদিন ধরে অন্য মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি ওই ছাত্রী। গত সোমবার রাতে ওই ছাত্রী টিউবয়েলে অজু করতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জামাল শেখ ও তার সহযোগী শাহ জামাল ওই ছাত্রীকে মুখ চেপে ধরে পাশের একটি সবজির ক্ষেতে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে জামাল শেখ তাকে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি যাতে জানাজানি না হয় সেজন্য হত্যার হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়।
পরে ওই ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বিষয়টি খুলে বললে পরিবারের লোকজন পরের দিন মঙ্গলবার স্থানীয় ইউপি সদস্য শামীমকে জানায়। পরে ওই ইউপি সদস্য তাদেরকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শেরপুর থানায় মো. জামাল শেখ ও শাহ জামালের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বুলবুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিকে গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

বৃদ্ধের শরীরে দুর্গন্ধ-ময়লা চাদর, ঝুলিতে ৫ লাখ টাকা!

0

গায়ে দুর্গন্ধ, পরনে ছেড়া লুঙ্গি আর মুখভর্তি সাদা দাঁড়ি। বয়স প্রায় সত্তরোর্দ্ধ। চলাফেরায় যেকোনো লোক দেখলে মানসিক ভারসাম্যহীন মনে করবে। একপর্যায়ে জনসাধারণের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে রোহিঙ্গা অপহরণকারী হিসেবে আটক করে। পরে তার কাছে থাকা ঝুঁলি পরীক্ষা করে মিলল প্রায় পাঁচ লাখ টাকা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খালিশপুর জুট মিলের সামনে থেকে ভবঘুরে এই বৃদ্ধকে আটক করেন স্থানীয়রা। তার নাম জেবাল হক (৭০)।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, এলাকাবাসী সকালে ছেলেধরা মনে করে ওই বৃদ্ধকে আটক করে। এ সময় তার ঝুলিতে কী আছে দেখতে চায় তারা। পরে ঝুলি থেকে ৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এরপর তারা পুলিশকে খবর দেয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ওসি জানান, ওই বৃদ্ধের নাম জেবাল হক, বাবা মৃত হাবিবুর রহমান, মা তরিকা খাতুন, তিনি পেশায় একজন ভবঘুরে গায়ক। ছোট বেলায় তিনি কুমিল্লার লাকসাম থেকে খুলনায় এসেছিলেন। এরপর আর কখনো লাকসামে ফিরে যাননি। সারা জীবন বিভিন্ন এলাকায় গান গেয়ে তিনি ওই টাকাগুলো আয় করেছেন।
ওসি আরও জানান, ভবঘুরে ওই বৃদ্ধকে চিকিৎসা ও দেখভালের জন্য মাদার তেরেসা চ্যারিটেবল কেয়ারে হস্তান্তর করা হয়েছে। টাকাগুলো এখনো পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে টাকাগুলো হস্তান্তরের পর প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগপত্রে ঢাবির ৮৭ শিক্ষার্থীসহ আসামি ১২৫

0

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুল আলোচিত প্রশ্নফাঁস মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) তৈরি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ শিক্ষার্থীসহ মোট ১২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির প্রধান মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এ সময় সেখানে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শাহ আলম, ইমতিয়াজ আহমেদ এবং বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেড় বছর তদন্তের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। আটককৃতরা পরীক্ষা শুরুর আগে প্রিন্টিং প্রেস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস করতো এবং পরে তারা ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে সমাধান করে দিতো।’
টানা অভিযানের কারণে এবার এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রশ্নফাঁস হয়নি বলেও দাবি করেছে সিআইডি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রশ্নফাঁসের এই মামলায় আরও অনেকের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে। সঠিক নাম-ঠিকানা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।
সিআইডিপ্রধান জানান, অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল দীর্ঘ তদন্ত করে। তদন্তের মাধ্যমে তারা দেশের সর্ববৃহৎ প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াত চক্রকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তার হন মূল হোতাসহ ৪৭ জন। তাদের মধ্যে ৪৬ জনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আলোচিত এই ঘটনার শুরু ২০১৭ সালের ১৯ অক্টোবর মধ্যরাতে। ওই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হলে অভিযান চালায় সিআইডি। গ্রেপ্তার হন মামুন ও রানা নামের দুই শিক্ষার্থী। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন পরীক্ষার হল থেকে গ্রেপ্তার হন রাফি নামের এক ভর্তি-ইচ্ছুক।
এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর শাহবাগ থানায় মামলা হয়। পরে তদন্তে প্রশ্নফাঁস চক্রের বিস্তারিত উন্মোচিত হয়।
যাদের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- ইব্রাহিম, অলিপ কুমার বিশ্বাস, মোস্তফা কামাল, হাফিজুর রহমান, মাসুদ রহমান তাজুল, রিমন হোসেন, মহিউদ্দিন রানা, আইয়ুব আলী বাধন, আবদুল্লাহ আল মামুন, ইশরাক হোসেন রাফি, জাহাঙ্গীর আলম, মামুন মিয়া, অসিম বিশ্বাস, অনোয়ার হোসেন, নুরুল ইসলাম, হাসমত আলী সিকদার, হোসনে আরা বেগম, গোলাম মো. বাবুল, টি এম তানভির হাসনাইন, সুজাউর রহমান সাম্য, রাফসান করিম, আখিনুর রহমান অনিক, নাজমুল হাসান নাঈম, ফারজাদ ছোবহান নাফি, আনিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান ইসামী, বনি ইসরাইল, মারুফ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, খান বহাদুর, কাজী মিনহাজুল ইসলাম, নাহিদ ইফতেখার, রিফাত হোসেন, বায়েজিদ, ফারদিন আহম্মেদ সাব্বির, তানভির আহম্মেদ মল্লিক, প্রসেনজিত দাস, আজিজুল হাকিম, নাভিদ আনজুম তনয়, সালমান এফ রহমান হৃদয়, সজীব আহাম্মেদ, শিহাব হোসেন খান, এনামুল হক আকাশ, মোশারফ মোসা, মোহায়মেনুল ইসলাম বাঁধন, সাইদুর রহমান, আব্দুর রহমান রমিজ, গোলাম রাব্বী খান জেনিথ, উৎপল বিশ্বাস, বেলাল হোসেন বাপ্পী, মশিউর রহমান সমীর, আবু জুনায়েদ সাকিব, মোস্তাফিজ-উর-রহমান মিজান, আবুল কালাম আজাদ, শরমিলা আক্তার আশা, মাসুদ রানা, জেরিন হোসাইন, শেখ জাহিদ বিন হোসেন ইমন, তাজুল ইসলাম সম্রাট, আবির হাসান হৃদয়, মোর্শেদা আক্তার, সালমান হাবিব আকাশ, আলামিন, শাহ মেহেদী হাসান হৃদয়, অনিকা বৃষ্টি, ফিওনা মহিউদ্দিন মৌমি, সিনথিয়া আহম্মেদ, শাবিরুল ইসলাম সনেট, লাভলুর রহমান লাভলু, ইছাহাক আলী ইছা, আব্দুল ওয়াহিদ মিশন, তানজিনা সুলতানা ইভা, ইশরাত জাহান ছন্দা, আশেক মাহমুদ জয়, নাফিসা তাসনিম বিন্তী, প্রনয় পান্ডে, নুরুল্লাহ নয়ন, জিয়াউল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম আরিফ, জাকিয়া সুলতানা, শাদমান শাহ, সাদিয়া সিগমা, রবিউল ইসলাম রবি, মেহেজাবীন অনন্যা, রাকিবুল হাসান, এম. ফাইজার নাঈম সাগর, সাদিয়া সুলতানা এশা, সামিয়া সুলতানা, ফাতেমা আক্তার তামান্না, নওশীন আফরিন মিথিলা, আমরিন আলম জুটি, সুবহা লিয়ানা তালুকদার, মোহাইমিনুল রায়হান ফারুক, সাফায়েতে নূর সাইয়ারা নোশিন, মাসুদ রানা, ইখতেখার আলম জিসান, রাকিব হাসান, খালিদ হাসান, আজলান শাহ ফাহাদ, সৌভিক সরকার, রিজন আহমদ পাঠান, মাহবুব আলম সিদ্দিকী সম্রাট, হাসিবুর রশিদ, আফসানা নওরিন ঋতু, মারুফ হাসান খান, তৌহিদুল হাসান আকাশ, শাহাদৎ আল ফেরদৌস ফাহিম, আয়েশা আক্তার তামান্না, ফাতেমা তুজ জোহরা মীম, শ্বাষত কুমার ঘোষ শুভ, রাসেল আলী, রাজীবুল ইসলাম রাজীব, আবু মাসুম, জান্নাত সুলতানা, জিএম রাফসান কবির, সাগর সাহা, সাদেকুল ইসলাম সুমন, আব্দুল্লাহ, খাইরুজ্জামান সরকার সুজন, শাহেদ আহমেদ, মুহাইমিনুল ইসলাম মাসুদ, আশরাফুল আলম, হাসিবুর রহমান রুবেল ও মাকসুদুর রহমান শুভ।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে কী শপথ নিলেন, জানালেন ফখরুল

0

জিয়াউর রহমানের ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে কারাবন্দী দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার শপথ নিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলের প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ অনুসরণ করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনারও অঙ্গীকার করেছে দলটি।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এই শপথের কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় দলের অন্য নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।
দেশে গণতন্ত্র নেই জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, অন্যায়ভাবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। নির্বাচনে মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র হরণ করা হয়েছে। এ সময় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার শপথ করতে নেতাকর্মীদের তাগিদ দেন তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান এ দেশে মৌলিক পরিবর্তন এনেছিলেন। তার দেখানো পথেই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।
আরেক নেতা মওদুদ আহমদ বলেন, গণতন্ত্র, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন ফিরে না আসা পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলন চলবে।
এর আগে দলের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের দুঃসময়ে শক্ত হাতে হাল ধরেন জিয়াউর রহমান। তার জনপ্রিয়তা দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারী শক্তি কখনোই মেনে নিতে পারেনি। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবে জনগণের হৃদয়ে চিরজাগরূক হয়ে অবস্থান করছেন তিনি।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকার দেশে একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে। কেন্দ্রীভূত স্বৈরতন্ত্রের প্রতিভূ বর্তমান সরকার। এরা নতুন কায়দায় পুরোনো বাকশালকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। বিরোধীদলের অধিকার, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত করে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। সেজন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সাজানো মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে।
এদিকে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনের আলাদা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনসমূহ। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনও নানান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বাবা-মার মুক্তি মিললেও তিন শিশু ৬ মাস ধরে ভারতের কারাগারে

0

বাবা-মার মুক্তি মিললেও পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার তিন শিশু ৬ মাস ধরে ভারতের কারাগারে বন্দী আছেন। সন্তানদের মুক্তির জন্য দেশের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোনো সমাধান পাচ্ছেন না ওই তিন শিশুর বাবা-মা।
জানা যায়, ইন্দুরকানী উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের নান্টু ফরাজী ও তার স্ত্রী লাকী বেগম দুই শিশু কন্যা ও এক শিশু পুত্রকে নিয়ে ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর ভারতের দিল্লী থেকে বাংলাদেশে ফিরছিলেন। তবে ফেরার পথে ভারতের বনগাঁ জেলার গোপাল নগর থানার পুলিশ তাদের আটক করে।
পরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে নান্টু ফরাজী ও তার স্ত্রীকে দমদম সেন্ট্রাল জেলে পাঠায়। অপরদিকে তিন সন্তান তানিয়া আক্তার (১৩), হেনা আক্তার  (৯) ও রাহান উদ্দিন ফরাজীকে (৮) পৃথক জেলে পাঠায়।
এর চার মাস পর আদালতের নির্দেশে নান্টু ফরাজী ও তার স্ত্রীকে মুক্তি দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু ৬ মাস পরও তিন সন্তানের মুক্তি মেলেনি। কোন জেলে আছে তাও তারা জানেন না। এ অবস্থায়  সন্তানদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তারা।
বাবা নান্টু ফরাজী জানান,  স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে দিল্লী থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে গোপাল নগর থানা পুলিশ তাদের আটক করে। এরপর আদালতের তাদের দমদম জেলে এবং তিন সন্তানকে পৃথক জেলে পাঠায়। কিন্তু আদালত চার মাস পর স্ত্রীসহ তাকে মুক্তি দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেয়।
কিন্তু তিন সন্তানের কোনো সন্ধান ৬ মাস পরও মেলেনি। দেশে এসে সন্তানদের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোনো সমাধান পাননি তিনি।
এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নান্টু ফরাজী বলেন, ‘আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমার সন্তানদের যাতে ফেরত পেতে পারি, তার জন্য মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’