স্ত্রীর লা শ হাসপাতালে ফেলে পালালেন কলেজশিক্ষক

0

কুমিল্লা নগরীতে কলেজশিক্ষক স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হ`ত্যা`র অভিযোগ উঠেছে। এমনকি স্ত্রীর ম র দেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছেন তিনি। মঙ্গলবার নগরীর রানীর দীঘির পাড় এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ হাফসার পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও শাশুড়ি মিলে তাকে হ`ত্যা করেছে।এক সন্তানের মা হাফসা আক্তার (২৩) জেলার সদর দক্ষিণ বড়তুলা মুন্সি বাড়ির প্রবাসী ওলিউল্লার মেয়ে। আর অভিযুক্ত গোলাম মাওলা ফারুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক। হাফসার ছোট ভাই নাজমুল হাসান জানান, হাফসা আক্তার ও গোলাম মাওলা ফারুকের ৪ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের ৩ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তাদের কাছে খবর আসে হাফসা আক্তার ফাঁস দিয়ে আ`ত্ম`হ`ত্যা করেছেন। তার লা`শ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে। তারা হাসপাতালে পৌঁছে হাফসার ম র দেহ দেখতে পান। হাফসার মরদেহ ভুল ঠিকানায় হাসপাতালে এন্ট্রি করে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পা`লিয়ে যান বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

হাফসার মা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে স্বামী ও স্বামীর বাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় যৌ`তুকের দাবিসহ নানা অভিযোগে মা রধর করত। বিভিন্ন সময় মেরে ফেলার হু`মকিও দেয়া হয়েছে। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি আ`ত্ম`হ`ত্যা। তবে ম`রদে`হের ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃ ত্যু র প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গুগলে কাশ্মীরি তরুণীদের সবচেয়ে বেশি খুঁজছে ভারতীয়রা

0
কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর ভারতীয় পুরুষরা ভিন্ন একটি বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছেন। সার্চ ইঞ্জিন গুগলে কাশ্মীরি তরুণীদের বেশি করে খুঁজছেন তারা। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও কাশ্মীরি তরুণীদের নিয়ে পোস্ট করছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ইন্টারনেট দুনিয়ায় ভারতীয়রা এখন মরিয়া হয়ে খুঁজছেন কাশ্মীরি তরুণী এবং তাদের বিয়ে করার উপায়। কাশ্মীরি ললনাদের খোঁজে যেন একেকটি রাজ্যের পুরুষরা প্রতিযোগিতায় লেগেছেন।

নিউজ১৮-এর খবরে বলা হয়, গুগলে ভারতীয়দের খোঁজ করা কি-ওয়ার্ডের তালিকার উপরে আছে- ‘ম্যারি কাশ্মীরি গার্ল’, ‘কাশ্মীরি গার্ল পিক’, ‘গেট কাশ্মীরি গার্ল’ এসব।

এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছে দেশটির কেরালা রাজ্য। রাজ্যটিতে গত তিনদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ ‘ম্যারি কাশ্মীরি গার্ল’ লিখে গুগলে সার্চ করেছেন। আর কর্নাটকের অবস্থান দ্বিতীয়। এছাড়া দিল্লি, মহারাষ্ট্র এবং তেলেঙ্গনার অবস্থান যথাক্রমে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম। ষষ্ঠ স্থানে আছে পশ্চিমবঙ্গ।

দেশটির অপর সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬ আগস্ট গুগলে যে সব কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভারতীয়রা বেশি খুঁজছেন তা হচ্ছে- ‘কাশ্মীরি গার্ল’, ‘ম্যারি কাশ্মীরি গার্ল’। একই সঙ্গে কাশ্মীরে জমি কেনার বিষয়টিও খোঁজা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের হারিয়ানা রাজ্য থেকে বেশি অনুসন্ধান করা হয়েছে।

৩৭০ ধারা বিলোপের আগে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের পুরুষরা কাশ্মীরি নারী বিয়ে করতে পারতেন না কিনা সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। ভারতীয় আইন বলছে, অবশ্যই পারতেন। বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত জম্মু-কাশ্মীরের মেয়েরা তাদের রাজ্যের বাইরে বিয়ে করলে আইনত বাঁধা নেই। তবে সেক্ষেত্রে বিয়ের পর তারা বাবার বাড়ির সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হতেন। কিন্তু ৩৭০ ধারা বিলোপের ফলে এখন থেকে ভারতীয় পুরুষরা কাশ্মীরি মেয়েদের সঙ্গে সম্পত্তিও পাবেন।

কাশ্মীরকে বলা হয় পৃথিবীর ভূস্বর্গ। এখানে টিউলিপ ফুলের বাগান সবচেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ। এছাড়া কাশ্মীরের আপেল ও আঙ্গুর পুরো ভারত বর্ষে জনপ্রিয়।

দাফনের আগে উঠে বসলো মৃ’ত মানুষ, দেখে ইমামের মৃ’ত্যু

0

দাফনের আগে মৃ’ত ব্যক্তির বেঁচে ওঠার ঘটনা বিভিন্ন জায়গায় ঘটেছে। তবে সৌদি আরবের এই ঘটনা সবাইকে চমকে দেবে। জানাযা করার সময়ে মৃ’তদেহ নড়েচড়ে উটে বসেন। তা দেখে মৃ’তব্যক্তিকে দাফনের জন্য আসা ইমামের মৃ’ত্যু হয়েছে।​

সৌদি আরবের ‘লাইফ ইন’ নামে একটি ওয়েবসাইটে তথ্য সূত্রে জানা গেছে, হাসাপাতালে চিকিৎসার সময়ে মৃ’ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে একজনকে। তবে সেই সময়ে তার মৃ’ত্যু হয়নি। তার শ্বাস প্রশ্বাসে ধীর গতিতে হচ্ছিল। এতটাই ধীর গতিতে শ্বাস নিচ্ছিলেন যে চিকিৎসকের মৃ’ত বলেই শুধু ঘোষণা করেননি, ডে’থ সার্টিফিকেটও দিয়েছেন।

এরপর ওই মৃ’ত ব্যক্তিকে দাফনের আয়োজন করা হয়। ইমাম এসে জানাযা করার সময়ে মৃ’তদেহ নড়েচড়ে উটে বসেন। এই দৃশ্য দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হন ওই ইমাম। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃ’ত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটে গত মাসের ৩০ জুলাই।

দে’হ ব্যবসার রমরমা অবস্থা। ক্লাস এইটে পড়ি তখন থেকে।এভাবেই গাইবান্ধা সদর ওসি ও সাংবাদিকদের বলেন

0

রুমা আপা আমার জীবনটা তছনছ করে দিয়েছে। আমি যখন ক্লাস এইটে পড়ি তখন সে আমার মুখে ই’য়াবা তুলে দেয়। অন্যদিকে অভাবের সংসারের দায় সারতে ও নে’শা থেকে আমার জীবন রক্ষা করতে বাবা-মা বাল্যকালেই আমাকে বিয়ে দেয়।কিন্তু ততক্ষণে আমি ই’য়াবা কুইন। ই’য়াবার নে’শা আমাকে আরো বেশি করে আকড়ে ধরে। নেশার টাকা যোগাড় করতে গিয়েই এখন রাত-দিন ডাক পড়ে। আমি নষ্ট হয়ে গেলাম। বুঝেও কোনো উপায় নাই।এখন নেশার টানে ঘর ছাড়তে হয়। চাহিদাও বেড়েছে। বিকাল হলেই ডাক পড়ে এ ঘর ও ঘরে। ওরা ফুর্তি করে আর আমি টাকা নেই, নেশা করি।

গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার ও সাংবাদিকের কাছে এ কথাগুলো বলছিলেন (আদরী আকতার সপনা) নামের এক কিশোরী স্কুলছাত্রী। গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউপির তালুকজামিরা গ্রামের সনজু মিস্ত্রির মেয়ে। ২ ভাই ২ বোনের মধ্যে সে বড়। বাবার টানাটানির সংসারে মোটামুটি চলে যাচ্ছিল। মেয়েকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন তার মা শেফালী বেগম। স্কুলে পড়াশোনার জন্য সব কিনে দিতে হতো

বাবার মিস্ত্রির কাজের অর্থ থেকে পড়াশোনার খরচ যোগাড় হচ্ছিল। ২০১৫ সালে তালুক জামিলা স্কুল থেকে জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করে। কিশোরী বয়সেই বাবা-মা তাকে বিয়ে দেন পাশের গ্রামের ছেলে রেজাউল মিয়ার সঙ্গে। রেজাউল মিয়ার সঙ্গে কিশোরীর সংসার তখনো খুব বেশি জোড়া লাগেনি। খেলার বয়সের নাবালিকা তখনো বিয়ের বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেনি। ট্রেনে স্বামীর সঙ্গে ঢাকা যাওয়ার সময় পরিচয় হয় রুমা নামের এক মেয়ের সঙ্গে। তার বাড়ি গাইবান্ধা শহরের ব্রিজ রোডে।

রুমা তাকে তার বাড়িতে থাকতে দেন। বলেন, এখানে থেকে চাকরি খুঁজে নিও। তখনো এই কিশোরী বুঝতে পায়নি রুমার আসল উদ্দেশ্য। রুমা আস্তে আস্তে এই কিশোরীকে ই’য়াবা সেবনে আগ্রহী করে। স্বামী রেজাউলকে বলেন আপনি কাজ খুঁজুন। তারপর হবে। দেখতে দেখতে যাত্রাবাড়ীর রুমার বাড়িতে ই’য়াবায় আসক্ত করে ফেলেন ওই কি’শোরীকে। বাধ্য করে তাকে খারাপ কাজ করতে। ততক্ষণে তার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ভণ্ডুল হয়ে যায়। স্বামী আর ফিরে আসেনি।

নে’শায় আসক্ত হয়ে কিশোরী গাইবান্ধায় চলে আসে। তারপর নিজের নেশার জন্য যোগাযোগ করেন গাইবান্ধার ই’য়াবা বিক্রেতাদের সঙ্গে। হয়ে যান ই’য়াবা কুইন। ই’য়াবার টাকা যোগাড় করতে সে অসামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পড়াশোনা ও বিয়ের কথা মাথা থেকে বাদ দিয়ে পা বাড়ান অপরাধ জগতের পথে। নিজেও আসক্ত হয়ে পড়েন এবং নিজেকে ই’য়াবা বিক্রেতাদের কাছে তুলে দেন। বাদিয়াখালী, বোনারপাড়া, রিফায়েতপুর, গাইবান্ধা শহর এমনকি বগুড়ায় তার যোগাযোগ সৃষ্টি হয়।

তাদের কথামতো ই’য়াবা নিয়ে যায় দূর-দূরান্তে কাস্টমারদের কাছে। পাশাপাশি দে’হ ব্যবসার রমরমা অবস্থা। ছোট বড়, নেতা, মেম্বর, চেয়ারম্যান বলে কথা নেই। তার কথা হলো টাকার দরকার। টাকা হলে খারাপ হতে দোষ নেই। যৌ’বন আর টাকা দিয়ে হাতের মুঠোয় নেন এলাকার মাস্তানদের। এলাকায় এই কিশোরীকে সবাই এক নামে চেনে। যৌবন ও জীবন নিয়ে তার কোনো ভাবনা নেই। সে কারণে দিনরাত ই’য়াবা বিক্রি ও যৌ’নতা বিলিয়ে দিতে সে কোনো কুণ্ঠা বোধ করতো না।

পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর ওই কিশোরী জানান, নে’শার টাকা যোগাড় করতেই তাকে এ পথে নিয়ে এসেছে। আজ কখন রাত হয় কখন দিন হয় সে বুঝতে পারে না। তবে ডাক পড়লেই কিশোরী গিয়ে হাজির হয় নেশার টাকার জন্য। এ খবর জানাজানি হওয়ার পর তার বাবা সনজু মিস্ত্রি নির্বাক। তার মেয়ে এমন হতে পারে সে ভাবতে পারে না। তার মেয়েকে এ পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে সবার প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান।

কিশোরী সাংবাদিকের কাছে বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আামি এখন ই’য়াবা কুইন। ক’জন আছে আমার মতো ? আমার এ জঘন্য পথ, পাপের পথে কেউ ইচ্ছে করে আসে না। আমাকে যারা সেই রুমা আপুরা আমাকে এ পথে ঠেলে দিয়েছে তাদের প্রতিরোধ করুন। না হলে আমার মতো অনেক কিশোরী মেয়ে আসল পথ হাড়িয়ে ফেলবে।কাল রাতে গাইবান্ধা থানার পুলিশ বাদিয়াখালী ও তালুক জামিরা থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার সময় ওই কিশোরীসহ কয়েকজনেকে গ্রেপ্তার করার পর এ রহস্যময় তথ্য বেড়িয়ে আসে।

ভিডিওটা কি মিন্নির না অন্য কাহার মন্তব্য করুন,ভিডিও লিংক সহ

0

মিন্নির ভাইরাল হওয়া ভিডিওটা এখন সবার হাতে হাতে মোবাইলে এমন ই আবাস পাওয়া যায় ফেইসবুক পোস্টের কমেন্ট দেখলেই। আবার অনেকে সেই ভিডিও লিংকের জন্য ইনবক্সে কমেন্টে অনুরুধ করতে দেখা যায় ,

সেই ভিডিও টা আমাদের হাতে অনেক আগে এসে পৌছায় যে ভিডিওটা ফেইসবুকে বা ইউটিউবে কোথাও দেয়া যাবেনা কারন দিলেই কমিউনিটি গাইড লাইনে পড়ে ভিডিও ডিলিট হয়ে যাবে সে জন্য আমরা অন্য ভাবে দেয়ার জন্য আজ প্রস্তুত। আমরা ভিডিওটা বার বার দেখেছি দেখলেও সেই ভিডিও নিয়ে যেহেতু পরিস্কার না তাই কোন মন্তব্য করতে রাজিনা, আপনারা ভিডিও দেখে মন্তব্য করবেন নিজ দায়িত্বে।

এদিকে গতকাল মিন্নির মা মিন্নির সাথে দেখা করে সাংবাদিকদের বলেন বরগুনায় চা’ঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হ’ত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও প্রত্যক্ষদর্শী তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে আটকের পর প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক নি’র্যাত’ন করা হয়েছে। বরগুনার পুলিশলাইনসে একটি কক্ষে নিয়ে তাকে টানা ১০-১২ ঘণ্টা নি’র্যাতন করা হয়। এমনকি তাকে ই’য়াবা মিশ্রিত পানি খাইয়ে জোর করে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়।

মিন্নির মা জিনাত জাহান মনি বলেন, আমার মেয়ে আমাকে বলেছে- ১৬ জুলাই পুলিশ মিন্নিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে ১২-১৩ ঘণ্টা শারীরিক ও মানসিক নি’র্যা’তন চালায়। পুলিশলাইনে একটি কক্ষে এএসআই রিতার নেতৃত্বে ৪-৫ পুলিশ সদস্য তাকে শারীরিক নি’র্যা’তন করেছে এবং মারধর করেছে। এ সময় পানি পান করতে চাইলে তাকে পানিটুকুও দেয়া হয়নি।

সমকামী যুগলকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে হোটেল থেকে বের করে দিল কর্তৃপক্ষ

0

গত ২৮ জুলাই দু’জন সমকামী গিয়েছিলেন ভারতের চেন্নাইয়ের স্লেট হোটেলে। কিন্তু হোটেল থেকে তাদের বের করে দেওয়া হয়। হোটেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, দু’ই মেয়ে এমন আচরণ করছিল, যার কারণে অন্য কাস্টমাররা অস্বস্তিতে পড়ছিলেন। তাই তাদের চলে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু সেই সমকামী যুগলে দাবি, হোটেলে কয়েকজন এমন আচরণ করছিলেন যাতে তারাই অস্বস্তিতে পড়েছিলেন।

গোপালকৃষ্ণাণ ফেসবুকে লিখেছেন, আমি ও আমার বন্ধু স্লেট হোটেল নামে এক পানশালায় গিয়েছিলাম। আমরা যখন নাচছি, চার-পাঁচজন আমাদের দিকে তাকিয়েছিল। আমাদের ওপর থেকে চোখ সরাচ্ছিল না। আমরা খুব অস্বস্তিতে পড়েছিলাম।

ওই নারীর দাবি, সেদিন সবাই হোটেলে এনজয় করছিল। আমরাও করছিলাম। তাহলে আমরাই বা অকারণে অনেকের মনোযোগের কেন্দ্র হয়ে উঠলাম কেন? একই লিঙ্গের দু’টি মানুষ একসঙ্গে নাচছে, এই দৃশ্যটি হজম করা কি এতই শক্ত? আশপাশের লোকজন যেভাবে আমাদের দিকে তাকাচ্ছিল, তাতে আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।

গোপালকৃষ্ণাণ জানান, আমি ও আমার বন্ধু ওয়াশ রুমে গিয়েছিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে দরজায় অনেকে ধাক্কা দিতে লাগল। আমাদের বলল, তোমরা এখনই বেরিয়ে এসো। তারপর ওয়াশ রুমে ঢুকল চার পুরুষ বাউন্সার ও এক নারী বাউন্সার।

তারা জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা দু’জনে ওয়াশ রুমে কী করছ? তোমরা ওয়াশ রুমে ‘অন্য কিছু’ করছিলে। তোমাদের নামে অনেকে অভিযোগ করেছে। তোমরা হোটেল থেকে বেরিয়ে যাও।

ওই নারীর দাবি, হোটেলের কোনো খদ্দেরের সঙ্গে আমাদের ঝগড়া হয়নি। হোটেল কর্তৃপক্ষ আমাদের বলারই প্রয়োজন বোধ করেনি যে, কেন তাড়িয়ে দিচ্ছে। কোন সাহসে তারা বলে, আমরা ‘অন্য কিছু’ করছিলাম? এই ধরনের আপত্তিকর ও অপেশাদার আচরণ কোনো হোটেলের কাছ থেকেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

শিবাঙ্গী সিং ফেসবুকে লিখেছেন, হোটেলের ম্যানেজার আমাদের বলেছিল, আমরা নাকি খারাপ কিছু করছিলাম। তারা ভিডিও ফুটেজে তেমনটাই দেখেছে। আমরা বললাম, কোথায় সেই ভিডিও ফুটেজ? আমাদের দেখাও। তারা দেখায়নি।

শিবাঙ্গীর বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজের কথা মিথ্যা। ম্যানেজার আমাদের বলল, এই হোটেলে অনেকে বাড়ির লোকজনকে নিয়ে খেতে আসে। আমাকে আর রসিকাকে দেখেই নাকি তাদের অস্বস্তি হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে হোটেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অবশেষে মৌলভীবাজারে ‘ফগার মেশিন’

0

বহু অকাঙ্খার পর অবশেষে মৌলভীবাজারে ফগার মেশিনের মশা নিধন শুরু হল। মেশিনগুলো মেয়র মো. ফজলুর রহমানের একান্ত প্রচেষ্ঠায় কিনেছে মৌলভীবাজার পৌরসভা।  বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে প্রথম ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন শুরু হয়। মেয়র মো. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এর শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন।

এসময় আরোও বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, সিভিল সার্জন শাহজাহান কবির, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালেহ এলাহী কুটি। জানা যায়, মৌলভীবাজার পৌরসভা মোট ৬টি ফগার মেশিন ক্রয় করেছ। পর্যায়ক্রমে পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকায় মেশিন নিয়ে মশক নিধন হবে। এছাড়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সলার ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন ফগার মেশিন হাতে নিয়ে মশা নিধন করেন।

মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘মৌলভীবাজার পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে মশা নিধনের মেশিন ছিল না। ডেঙ্গু নির্মূলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে পৌলসভার পক্ষ থেকে মেশিন ক্রয়ের অর্ডার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মেশিনের চাহিদা বেশী থাকায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিলম্ব করছিল। অবশেষে বহু প্রতিক্ষার ফগার মিশের ধূয়া মৌলভীবাজারে উড়ল’।

সিভিল সার্জন মো. শাহজাহান কবীর জানান, ‘এপর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলায় ২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী রয়েছেন। তারা সবাই সুস্থ আছেন। একজন ছাড়া বাকী সবাই ঢাকা থেকে ডেঙ্গু নিয়ে এসেছেন। মৌলভীবাজার সরকারি হাসপাতালে দুইটি ডেঙ্গু কর্ণার খুলা হয়েছে। তবে আমাদের জন্য আশার খবর হচ্ছে ২৪ ঘন্টায় মাত্র জন ডেঙ্গু রোগী বেড়েছে’।

জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মৌলভীবাজারসহ সাড়া দেশ কারোর পক্ষে একা পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব নয়। এর জন্য জনসাধরণকে সচেতন হতে হবে। সবাইকে সম্মিলত কাজ করতে হবে। আমরা এখন দেখছি যে অনেক জায়গায় নোংরা আবর্জনা রয়েছে। তার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাতে সবাই নিজ উদ্যোগে নিজের আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখেন’।

উল্লেখ্য, নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ্য থাকি’ এই স্লোগান নিয়ে সারা দেশের ন্যায় মৌলভীবাজারেও মশকনিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের এটি অংশবিষেশ কাজ।

source সিলেটভিউ২৪ডটকম

কুয়েতে হাত পা বেঁধে প্রবাসী বাংলাদেশিকে বেধড়ক মারপিট

0

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে এক বাংলাদেশির হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারপিটের পর তার কাছে থাকা টাকা ও আইডি কার্ড লুট করে নিয়েছে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা। বুধবার কুয়েতি দৈনিক আল-রাইয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এক বাংলাদেশিকে বেধড়ক মারপিটের পর তার কাছ থেকে ১০০ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি প্রায় ২৭ হাজার ৭৪২ টাকা) ছিনতাই করেছে অজ্ঞাতনামা চার দুর্বৃত্ত। পুলিশ ওই দুর্বৃত্তদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছে।

পুলিশের কাছে দায়েরকৃত অভিযোগ বাংলাদেশি ওই প্রবাসী বলেছেন, তিনি কুয়েতের একটি পাবলিক পার্কের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় হঠাৎ চার দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। তাকে প্রচণ্ড মারধরের পর সঙ্গে থাকা আইডি ও একশ’ কুয়েতি দিনার ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।

পরে তার হাত ও পা বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। চিৎকার শুনে পথচারীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পুলিশ সন্দেহভাজন দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করছে।

বন্ধু এত ভয়ংকর হতে পারে?

0
নিহত সুমন, হত্যাকারী সোহেল

একসঙ্গে মুদি দোকানে চাকরি করার সুবাদে মো. সুমন ও সোহেল হোসেনের পরিচয়। সময়ের সঙ্গে গড়ে ওঠে টগবগে এ দুই যুবকের পরম বন্ধুত্ব। রাত-দিন গল্প-আড্ডায় তাদের একসঙ্গে কেটেছে। পরিবারের সুখ-দুঃখও একে অন্যকে জানিয়েছে। পরিবারের কথা বলে সুমনের কাছ থেকে সোহেল টাকা ধার নেয়। এর মধ্যে অনিয়মের কারণে দোকান থেকে সোহেল এক মাস আগে চাকরিচ্যুত হয়। অভাব-অনটনে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে সে (সোহেল) দিনমজুরের কাজ ধরে। এদিকে ধার নেওয়া টাকা ফেরত চাওয়ায় বিপদ ডেকে আনে সুমনের জীবনে। কে জানত, টাকা চাইলেই কৌশলে ডাব খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে সুমনকে কু পি য়ে হ ত্যা করা হবে? আবার বস্তাবন্দি করে নির্জন বাগানে মাটিচাপা দেওয়া হবে! বন্ধু এত ভয়ংকর হতে পারে?

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে আলোচিত মুদি দোকানের কর্মচারী সুমন হ ত্যা র ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামি বন্ধু সোহেল। গতকাল সোমবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রামগঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক রায়হান চৌধুরী এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এর আগে পুলিশের কাছে একই জবানবন্দি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাওসারুজ্জামান।

এদিকে সুমন হ ত্যা র প্রতিবাদে রামগঞ্জের প্রধান সড়কে সকাল ১১টার দিকে মানববন্ধন করেছে সোনাপুর বাজারের ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ। এ সময় বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, নি হ তের বাবা ইউনুছ আলী, মিলন আঠিয়া প্রমুখ। তাঁরা সোহেলের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

রামগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক কাওসারুজ্জামান জানান, আসামি সোহেল একাই বন্ধু সুমনকে হ ত্যা করেছে। সোনাপুর থেকে ২১ জুলাই বাড়ির পথে এগিয়ে দেওয়ার জন্য সুমনকে ডেকে নেয় সোহেল। পরে সোহেল ডাব খাওয়ানোর কথা বলে সুমনকে রাত ১১টার দিকে বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে ধার নেওয়া টাকার প্রসঙ্গে দুজনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দা দিয়ে কু পি য়ে সুমনকে হ ত্যা করা হয়। পরে প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি করে তার মরদেহ বাগানে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

গভীর রাতে জাবিতে পাঁচ তরুণীসহ আটক ১০

0

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পাঁচ তরুণীসহ বহিরাগত ১০ জনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হলের দক্ষিণ পাশের বাগানের (সুইজারল্যাণ্ড) শেষ প্রান্ত থেকে নেশাদ্রব্যসহ তাদেরকে আটক করে প্রক্টরিয়াল টিম।

আটককৃতদের সঙ্গে জাবির ৪৫ ব্যাচের দর্শন বিভাগের ফাহিম মোকারম ছিলেন বলেও জানান প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান। তিনি জানান, ‘সুইজারল্যান্ডের শেষ প্রান্তে বনের ভেতর কিছু ছেলে-মেয়ে গান বাজনা করছে এমন সংবাদ পেয়ে সেখানে যাই। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থীকে আটক করি। তাদের মধ্যে ৫ জন তরুণীও ছিলেন।

তিনি আরো জানান, ‘ফাহিম মোকাররম আমাদের দেখে প্রথমে চলে যায়। পরে আবার এসে আটকরা তার অতিথি বলে দাবি করে। আটককৃত তরুণীদের তাদের অভিভাবকের কাছে ফোন করতে চাইলে তারা অস্বীকৃতি জানায় বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর বলেন, আটকদের অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় অভিভাবক অথবা সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদেরকে হস্তান্তর করা হবে।

পরিবার নিয়ে মালয়েশিয়া গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0

গত কয়েকদিনে ঢাকাসহ সারা দেশে মহামারির রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন ডেঙ্গু জ্বরে। সবার মধ্যে আতঙ্ক ডেঙ্গু নিয়ে। স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঈদের ছুটিও সরকার বাতিল করেছে। অথচ দেশে নেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে সপরিবারে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন।

তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান গত রাতে জানান, ‘আমি জানি তিনি এলাকায় আছেন। তবে এ মুহূর্তে তিনি কোথায় আছেন তা আমার জানা নেই।’ এদিকে আমাদের মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি কাবুল খান জানান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বাইরে আছেন। তিনি মানিকগঞ্জে নেই।

মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সপরিবারে মালয়েশিয়া গেছেন। সাত দিন পর তার দেশে ফেরার কথা।

সাবেক দুই সেনাশাসক জিয়া-এরশাদ পাকিস্তানের লোক ছিলেন: এইচটি ইমাম

0

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম মন্তব্য করেছেন, সাবেক দুই সেনাশাসক ও ‘অবৈধভাবে’ ক্ষমতাদখলকারী দুই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও এইচএম এরশাদ পাকিস্তানের লোক ছিলেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তারা দেশের জন্য কিছুই করেননি। বঙ্গবন্ধুই দেশকে গড়ে তুলেছেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুকন্যা তা ধরে রেখেছেন।

মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘তারুণ্যের ভাবনায় আওয়ামী লীগ’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৌরবের ৭০ বছর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের প্রায় ২শ’ তরুণ অংশ নেয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ।

রাণীর *যৌন ভিডিও ফাঁস, সংসার ভাঙল মালয়েশিয়ার রাজার

0

রুশ সুন্দরীকে বিয়ের জন্য সিংহাসন ছেড়েছিলেন মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান মুহম্মদ পঞ্চম। গত বছরের নভেম্বরে এ বিয়ে ঘিরে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছিল। রুশ বিশ্বসুন্দরীকে বিয়ের পরপরই মালয়েশিয়ার রাজার পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। কিন্তু রুশ এই সুন্দরীর *যৌন দৃশ্যের একটি ভিডিও ফাঁস হওয়ার জেরে তাদের সংসার টিকলো না ১০ মাসও।

মালয়েশিয়ার ইংরেজি দৈনিক দ্য নিউ স্ট্রেইট টাইমস এক প্রতিবেদনে বলছে, মালয়েশিয়ার সাবেক রাজা সুলতান মুহম্মদ পঞ্চম তার রাশিয়ান সুন্দরী স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ আগেই এই দম্পতির কোল আলো করে আসে এক পুত্রসন্তান। গত বছরের নভেম্বরে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় সুলতান মুহাম্মদ পঞ্চম (৫০) ও মিস মস্কো রিহানা ওকসানা ভোয়েভোদিনা (২৭) হঠাৎ বিয়ের পীড়িতে বসেন। রাজার বিয়ের এ খবরে দেশটির নাগরিকরা চমকে যান।

সিংহাসন ছেড়ে রুশ সুন্দরীকে বিয়ে করেছিলেন রাজা সুলতান। কিন্তু তাদের এ মধুর সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটেছে তালাকের মাধ্যমে। রাশিয়ার একটি টেলিভিশনের ‘সেক্স ইন দ্য পুল’ শীর্ষক রিয়্যালিটি শোতে একটি সুইমিংপুলে এক ব্যক্তির সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হতে দেখা যায়। এই দৃশ্যের ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ভিডিওর জেরেই সাবেক মালয়েশীয় এই রাজা তার সুন্দরী স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন।

বুধবার এক প্রতিবেদনে নিউ স্ট্রেইট টাইমস বলছে, গত ১ জুলাই সাবেক রাজা সুলতান মুহম্মদ পঞ্চমের সঙ্গে রিহানার চূড়ান্ত তালাক হয়েছে। ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, তিনবার তালাক উচ্চারণ করার মাধ্যমে তাদের এ ছাড়াছাড়ি হয়েছে।নিউ স্ট্রেইট টাইমস বলছে, তালাকনামার একটি কপি রুশ সুন্দরী রিহানার কাছে পাঠিয়েছেন সুলতান মুহম্মদ। সিঙ্গাপুরে গত ২২ জুন তালাকের জন্য আবেদন করেছিলেন তারা। এক মাস আগে ২১ মে ছেলেসন্তানের মা হন রিহানা।

গত ২২ নভেম্বর মস্কোর বারভিখা কনসার্ট হলে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৫০ বছর বয়সী রাজাকে বিয়ে করেন ২৫ বছরের এই রুশ সুন্দরী। দুই দেশের প্রথা অনুযায়ী হয় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠাকিতা। ওকসানা বিয়ের পর ছবি টুইট করেন।

ছবিতে দেখা যায়, জমকালো অনুষ্ঠানে বিয়ের পোশাকে রাজা সুলতান মোহাম্মদের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। মোহাম্মদ সুলতান নীল রঙের ঐতিহ্যবাহী মালয়েশিয়ার বাজু ও ওকসানা পরেছিলেন কারুকার্য খচিত সাদা গাউন। বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের জন্য ছিল রাজকীয় আয়োজন। বৃদ্ধ বয়সে রাজার এমন হঠাৎ বিয়েতে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

তবে দ্য নিউ স্ট্রেইট টাইমস বলছে, এ দম্পতির তালাকের কারণ নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। যদিও অনলাইনে তাদের বিয়ের তালাকনামার একটি কপি ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের এই তালাকের বিষয়টি সাবেক এই রাজার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সদ্যজাত ছেলের একটি ছবি পোস্ট করেন সাবেক মিস মস্কো রিহানা। ইংরেজি ও রুশ ভাষায় ছবির ক্যাপশনে ‘‘ছেলে একদিন ‘মালয়েশিয়ার রাজা’ হবে’’ বলে লেখেন। মালয় ভাষায় লেখা অপর এক পোস্টে রিহানা বলেন, তার ছেলে কেলাতানের রাজা হবে। সুলতান মুহম্মদ মালয়েশিয়ার রাজত্ব ছাড়লেও এখনো কেলাতান প্রদেশের শাসক।

 

আলোচিত মিন্নির ভাইরাল সেই x ভিডিও দেখুন।

0

<<<<বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হলেন জাতির ভাবি মিন্নি>>>>>

বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলায় স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে নয়টার পর তার বাসা থেকে পুলিশ তাকে নিয়ে আসে।

দিনভর জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত হত্যায় তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।আগামীকাল তাকে আদালতে হাজির করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, রিফাত হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মিন্নিকে পুলিশি নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছি।

পর্যবেক্ষণে পুলিশ মিন্নির জড়িত থাকার সত্যতা পেয়েছে।এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে সকাল থেকে বলা হচ্ছিল, রিফাত হত্যায় অভিযুক্ত অন্য যেসব আসামি রিমান্ডে আছে তাদের মুখোমুখি করার জন্যই মিন্নিকে পুলিশ লাইন্সে আনা হয়েছে। সেখানে দিনভর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যাকাণ্ডে তার জড়িত থাকার ইঙ্গিত পেয়েছে পুলিশ।

এ কারণেই তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আদালতে মিন্নির রিমান্ড চাওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে যেটা করার সেটাই তারা করবেন।

সেক্ষেত্রে যদি মনে হয়, তাকে রিমান্ড নেয়ার দরকার আছে, সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিয়ে আদালতে মিন্নির রিমান্ড চাইবে পুলিশ এবং আরো জিজ্ঞাবাদ করা হবে।

নারীদের খৎনা যেভাবে করা হয় । উপকারীতা ও অপকারিতা

0

জাতিসংঘের হিসাবে, বিশ্বের প্রতিটি ২০জন মেয়ে শিশু বা নারীর মধ্যে একজনের খৎনা করা হয়ে থাকে, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় এফিএম বা ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন।

বর্তমান বিশ্বে এরকম বিশ কোটি নারী রয়েছেন, যাদের আংশিক অথবা পুরো খৎনা অর্থাৎ যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হয়েছে। নারীদের এরকম যৌনাঙ্গ কর্তন বন্ধের আহবান জানিয়ে প্রতিবছরের ৬ই ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ দিবস হিসাবে পালন করে জাতিসংঘ।

অনেক নারী ও মেয়ের শিশু অবস্থাতেই এরকম খৎনা করা হয়, এমনকি শিশুদেরও। অনেক সময় বয়ঃসন্ধির সময় এটি করা হয়। কিন্তু এর ফলে নারীদের শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে তাদের সারাজীবন ধরে বয়ে বেড়াতে হয়।

নারীদের খৎনা আসলে কী?
নারীদের খৎনার মানে হলো ইচ্ছাকৃতভাবে মেয়েদের যৌনাঙ্গের বাইরের অংশটি কেটে ফেলা। অনেক সময় ভগাঙ্কুর এর পাশের চামড়া কেটে ফেলা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছে, ” চিকিৎসার প্রয়োজন ব্যতীত এমন যেকোনো প্রক্রিয়া, যা নারীদের যৌনাঙ্গের ক্ষতি করে থাকে।”

এ ধরণের কাজে নারীদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে ক্ষতি করে থাকে, যার স্বাস্থ্যগত কোন উপকারিতা নেই। নারীদের জন্য উদ্বেগ এবং তাদের পরবর্তী সম্পর্কের ওপর মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে এই বিষয়টি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা জোর করে এটি করা হয়ে থাকে। এরকম খৎনার শিকার একজন নারী বিশারা বলছেন, আরো চারটি মেয়ের সঙ্গে খৎনা করা হয়েছিল।

”প্রথমে আমার চোখ বেধে ফেলা হয়। এরপর আমার দুই হাত পেছনে শক্ত করে বাধা হয়। আমার দুই পা দুইদিকে মেলে ধরে যৌনাঙ্গের বাইরের চামড়া দুইটি শক্ত করে পিন কিছু দিয়ে আটকে দেয়া হয়।”

“কয়েক মিনিট পর আমি তীক্ষ্ণ একটি ব্যথা অনুভব করলাম। আমি চিৎকার করতে লাগলাম, আর্তনাদ করলাম, কিন্তু কেউ আমার কথা শুনলো না। আমি লাথি মেরে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করলাম, কিন্তু দানবের মতো কেউ আমার পা চেপে ধরে রাখল।”

তিনি বলছেন, এটি ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। পরে অন্য সব মেয়েদেরও একই অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। ব্যথা নিরাময়ের জন্য ছিল শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে তৈরি ভেষজ ওষুধ।

”একটা ছাগলের মতো করে তারা আমার দুই পা টেনে ধরে ক্ষত স্থানে সেই ভেজষ ওষুধ মাখিয়ে দিল। এরপর বলতে লাগলো, পরের মেয়েটিকে নিয়ে আসো।”

যদিও মেয়েদের এরকম খৎনা অনেক দেশেই বেআইনি, তবে দক্ষিণ আফ্রিকা, এশিয়া আর মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশি এটি করা হয়ে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনেক সম্প্রদায়ের মধ্যেও এটি প্রচলিত আছে।

মেয়েদের ক্ষেত্রে চার ধরণের খৎনা
১. ভগাঙ্কুর এবং আশেপাশের চামড়ার পুরোটাই বা আংশিক কেটে ফেলা

২. ভগাঙ্কুর, যৌনাঙ্গের বাইরের বা ভেতরের চামড়া অপসারণ করে ফেলা

৩. যৌনাঙ্গের বাইরের বা ভেতরের অংশের চামড়ার অংশটি কেটে ফেলে পুন:স্থাপন করা।

যৌনাঙ্গের বাইরের এবং ভেতরের চামড়া কেটে এমনভাবে পুনঃ স্থাপন করা হয়, যাতে শুধুমাত্র মূত্র ত্যাগের জন্য ছোট একটি ফাঁকা থাকে। এতে অনেক সময় নারীদের নানা সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

অনেক সময় এই ফাঁকা জায়গাটি এতো ছোট হয়ে থাকে যে, যৌন মিলনের জন্য পরবর্তীতে আবার কেটে বড় করতে হয়। অনেক সময় সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

৪. ওপরের তিনটির বাইরে ভগাঙ্কুরের বা যৌনাঙ্গের সবরকম কাটা ছেড়া বা ক্ষত তৈরি করা

কেন এটি করা হয়?
নারীদের খৎনার পেছনে যেসব কারণ মূলত কাজ করে: সামাজিক রীতি, ধর্ম, পরিছন্নতার বিষয়ে ভুল ধারণা, কৌমার্য রক্ষার একটি ধারণা, নারীদের বিয়ের উপযোগী করে তোলা এবং পুরুষের যৌন আনন্দ বৃদ্ধি করার মতো বিষয়।

অনেক সংস্কৃতিতে নারীদের খৎনাকে মেয়েদের সাবালিকা হয়ে ওঠা মনে করা হয়। এটিকে অনেক সময় বিয়ের পূর্বশর্ত হিসাবেও দেখা হয়।

যদিও পরিছন্নতার বা স্বাস্থ্যগত কোন সুবিধা নেই, কিন্তু এ ধরণের রীতিতে অভ্যস্ত সমাজগুলোর মানুষেরা মনে করেন, যেসব মেয়েদের এরকম খৎনা করা হয়নি, তারা তারা অস্বাস্থ্যকর, অপরিছন্ন বা গুরুত্বহীন।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এটি করা হয় এবং বিশ্বের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি নারীদের বিরুদ্ধে একটি সহিংস আচরণ।

কোথায় এ ধরণের রীতি চালু আছে?
বর্তমানে আফ্রিকার অনেক এলাকায়, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার কিছু অংশে এই রীতি চালু আছে। তবে ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার কিছু অভিবাসী সমাজে, উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকার কোন কোন গোষ্ঠীর ভিতর এই প্রবণতা রয়েছে।

ইউনিসেফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ২৯টি দেশে ব্যাপকভাবে এই রীতি চালু রয়েছে, যদিও এদের মধ্যে ২৪টি দেশেই এটি নিষিদ্ধ।

এমনটি যুক্তরাজ্যে নারীদের খৎনা বেআইনি, তবে মেয়ে শিশুদের ওপর এরকম খৎনা করার প্রবণতা বাড়ছে। এসব শিশুরা স্কুলে না পড়ায় বা যথেষ্ট বড় না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ সহজে সনাক্ত করতে পারেন না।

অনেকে দেশে বেআইনি হওয়া সত্ত্বেও পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের সাজা হতে পারে, এরকম আশঙ্কা থেকে ভুক্তভোগীরা আর অভিযোগ সামনে আনেন না।

কিছুদিন আগে উগান্ডা থেকে আসা একজন মা প্রথম ব্যক্তি হিসাবে এ ধরণের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। সূত্র বিবিসি বাংলা

সাম্প্রতিক

আন্তর্জাতিক

গুগলে কাশ্মীরি তরুণীদের সবচেয়ে বেশি খুঁজছে ভারতীয়রা

কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর ভারতীয় পুরুষরা ভিন্ন একটি বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছেন। সার্চ ইঞ্জিন গুগলে কাশ্মীরি তরুণীদের বেশি করে খুঁজছেন তারা। এমনকি...

Welcome To Sarabanglahh

বাংলাদেশ

স্ত্রীর লা শ হাসপাতালে ফেলে পালালেন কলেজশিক্ষক

কুমিল্লা নগরীতে কলেজশিক্ষক স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হ`ত্যা`র অভিযোগ উঠেছে। এমনকি স্ত্রীর ম র দেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছেন তিনি। মঙ্গলবার নগরীর রানীর দীঘির পাড়...

বিশ্বকাপে কেমন করলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা?

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট করতে নেমেছেন ১৪ জন। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মোট রান ২১৪৫। ৩টি সেঞ্চুরি ১১টি ফিফটি।...

ক্রিকেট মাঠে আর দেখা যাবে না জিম্বাবুয়েকে

ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসির নিয়মানুযায়ী, কোনো দেশের সরকার সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডের উপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।...

সর্বকালের সেরা দশে সাকিব

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে না পেরে হতাশ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। দল পারেনি। কিন্তু বিশ্বকাপকে প্রজাপতির হাজার...

Welcome To Sarabanglahh

সারাবাংলা সারাক্ষণ.

বিনোদন

Welcome To Sarabanglahh