
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাপ তৈরি হওয়ায় এই পতন দেখা গেছে। খবর রয়টার্স।
মঙ্গলবার (১৯ মে) স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৪২ দশমিক ৭ ডলারে। এর আগে সোমবার স্বর্ণের দাম নেমে যায় ৪ হাজার ৪৭৯ দশমিক ৫৪ ডলারে, যা গত ৩০ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়।
অন্যদিকে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দামও শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৫ দশমিক ৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে। এতে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয় এবং স্বর্ণের মতো নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা তুলনামূলক কমে যায়।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমানো হয়েছে।
মঙ্গলবার থেকে নতুন এ দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাজুস। এর আগে শনিবার (১৬ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।













































