
বিকেল ৪টায় বিদ্যালয়ে বাজল ছুটির ঘণ্টা। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ছেড়েছে বিদ্যালয়, কলাপসিবল গেটেও পড়েছে তালা। এ সময় ওয়াশরু থেকে বের হলো তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া এবং দেখল বিদ্যালয়ের কোথাও কেউ নেই, শুরু করল কান্না। তার কান্নার শব্দ শুনে ছুটে আসেন আশপাশের লোকজন। উদ্ধার করেন সাদিয়াকে।
তবে বিদ্যালয়ের মুল ফটকে তালা দেওয়ায় উদ্ধার করতে প্রায় এক ঘণ্টাখানেক সময় লেগে যায়। এমন ঘটনা ঘটেছে মেহেরপুর শহরের বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
এদিকে স্কুল ছুটি হওয়ার সময় অনেকক্ষণ পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সাদিয়ার বাবা মনিরুল ইসলাম। তিনি খোঁজ নিতে এসে স্থানীয়দের উদ্ধার কাজে যুক্ত হন। পরে এলাকাবাসী এক শিক্ষিকার উপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের মূল ফটক খোলেন। তবে বিদ্যালয় ভবনের কলাপসিবল দরজা বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা লিনা ভট্টাচার্যকে ডেকে আনেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর তার উপস্থিতিতে সাদিয়াকে উদ্ধার করা হয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় মধ্যরাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খায়রুল ইসলাম। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
ইউএনও বলেন, মেয়েটি সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে, এটি স্বস্তির বিষয়। তবে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। বৃহস্পতিবার শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।











































