
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে বাণিজ্যিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ফের বাড়ানো হয়েছে। তবে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য গৃহস্থালি এলপিজি, পেট্রল ও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (০১ মে) এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম গড়ে ৯৯৩ রুপি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দিল্লিতে সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ৩,০৭১.৫০ রুপি, যা আগে ছিল ২,০৭৮.৫০ রুপি। মুম্বাইয়েও একই ধরনের সিলিন্ডারের দাম ২,০৩১ রুপি থেকে বেড়ে ৩,০২৪ রুপিতে পৌঁছেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর তৃতীয় দফায় দাম বাড়ল গ্যাসের। মার্চে প্রথমে ১৪৪ রুপি এবং ১ এপ্রিল প্রায় ২০০ রুপি বাড়ানো হয়েছিল।
টানা মূল্যবৃদ্ধির ফলে রেস্তোরাঁ, হোটেল ও খাদ্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় বড় ধরনের চাপ পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ এসব ব্যাবসা প্রতিদিনের কাজে বাণিজ্যিক গ্যাসের ওপর নির্ভর করে। ফলে খাবারের দামও বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তেল বিপণন কোম্পানিগুলো লোকসানে পড়ছে। তারা বেশি দামে তেল কিনলেও একই দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে এসব প্রতিষ্ঠান।
এদিকে, ১ মে থেকে এলপিজি ব্যবস্থাপনায় নতুন নিয়ম চালু হয়েছে দেশটিতে। শহরাঞ্চলে এখন সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যে ব্যবধান ২১ দিনের পরিবর্তে ২৫ দিন করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এ ব্যবধান সর্বোচ্চ ৪৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে। নির্ধারিত সময়ের আগে বুকিং করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।শুক্রবার (০১ মার্চ) এই তথ্য জানায় ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)।সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১২ কিলোমিটার (৭ মাইল) গভীরে ও এটি সিলভার স্প্রিংস শহরের প্রায় ১৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এলাকায় আঘাত হানে।ইউএসজিএসের তথ্য মতে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দিনগত রাত ১টা ১৭ মিনিটে অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পের কারণে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কম্পন সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।তবে এই কম্পনে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।এমআর-২
ট্রাম্পের সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিল চীন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দুই দেশের মধ্যে ‘স্থিতিশীলতা’ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, তাইওয়ান ইস্যুই দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।শুক্রবার (০১ মে) দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। এ সময় তিনি বেইজিং ও ওয়াশিংটনকে ‘কঠিন পরিশ্রমে অর্জিত স্থিতিশীলতা’ রক্ষা করার আহ্বান জানান।মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক কর্মকর্তা ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এটি মূলত ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফরের প্রস্তুতির অংশ ছিল। তবে ফোনালাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প আগামী ১৪-১৫ মে চীন সফরে আসবেন। এ সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করবেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি হবে তার প্রথম চীন সফর।তার প্রথম দফা শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও শুল্ক নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দুই নেতা দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকের পর একটি সাময়িক সমঝোতা হয়।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ওয়াং ই রুবিওকে বলেন, দুই দেশকে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে, সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে এবং মতবিরোধগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে।তিনি বলেন, যদিও ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে সম্পর্ক ‘সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল’, তবে তাইওয়ান ইস্যুই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।দ্য গার্ডিয়ান বলছে, চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে। তারা দ্বীপটির আন্তর্জাতিক অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও সমর্থনের তীব্র বিরোধিতা করে।ওয়াং ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে এবং বিশ্ব শান্তিতে অবদান রাখতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করতে হবে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ওয়াং ই ও রুবিও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেছেন, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।এমআর-২
ইরানের বিরুদ্ধে ফের যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরাইলের
নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ইসরাইল শিগগিরই ইরানের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধ শুরু করতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কাটজ বলেন, গত এক বছরে ইরান ‘অত্যন্ত কঠিন আঘাত’ পেয়েছে—যে আঘাতগুলো বহু বছর ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জমে ছিল।ইসরাইল কাটজ বলেন, ‘আমাদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ আরও বাড়বে, তবে একই সঙ্গে আঞ্চলিক বাস্তবতা বদলে দেওয়ার মতো ঐতিহাসিক সুযোগও রয়েছে।’তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে যৌথভাবে কাজ করছেন। তাদের লক্ষ্য হলো—ইরান যেন ভবিষ্যতে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র এবং তথাকথিত ‘মুক্ত বিশ্বের’ অস্তিত্বের জন্য কোনো হুমকি হয়ে না ওঠে।এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলমান যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র আবার যুদ্ধ শুরু করবে কি না, তা তার জানা নেই। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ওভাল অফিসে বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে না পারলেও ট্রাম্প দাবি করেন, এই সংঘাতের সমাধান হয়ে গেলে তেলের দাম কমে আসবে। এমআর-২
নিজ দেশের নাগরিকদের ইরান, লেবানন ও ইরাকে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমান আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে ভ্রমণের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয় এই দেশগুলোতে বর্তমানে অবস্থানরত সকল সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের অবিলম্বে নিজ দেশে ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।বিদেশে থাকা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের জারি করা নির্দেশিকা ও পরামর্শ মেনে চলার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের গৃহীত সতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থাগুলো নেওয়া হয়েছে।এমআর-২
ইভিএমে কারচুপি হতে পারে এমন শঙ্কায় বৃষ্টির মধ্যে সিল করা স্ট্রং রুম পাহারা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার ( ৩০ এপ্রিল) নিজ কেন্দ্র বালিগঞ্জের লর্ড সিনহা রোডের শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে প্রায় ৪ ঘণ্টা অবস্থান করেন তিনি।মমতা ব্যানার্জি তাঁর কেন্দ্রের নির্বাচনী এজেন্টকেও সাথে নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্ট্রং রুমের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। এর আগে একটি কেন্দ্রের সিল করা স্ট্রংরুমের ভেতর নিয়ম না মেনেই বাইরের লোক অবাধে যাতায়াত করছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিকেলে এক ভিডিওবার্তায় ইভিএমে কারচুপির শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি এবং দলীয় কর্মীদের স্ট্রংরুমে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেন।মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেন, তাদের এজেন্ট গ্রেফতার হয়েছেন, অনেকগুলো একপেশে ব্যাপার হয়েছে। এরপরও যদি কেউ ইভিএম মেশিনে চুরি করার চেষ্টা করে, যদি কেউ গণনা চুরি করার চেষ্টা করে, তাহলে তারা একসঙ্গে জীবন-মরণের লড়াইয়ে নামবো।” আগামী ৪ মে ভোটগণনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে।এমআর-২
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব, গ্রিনকার্ড এবং স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়াকে কঠিন করে তুলতে যেসব নীতি অবলম্বন করছে মার্কিন প্রশাসন— সেসব প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল আদালত ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক রায়ে ডিস্ট্রক্ট কোর্টের বিচারক জুলিয়া কোবিক বলেন, মার্কিন প্রশাসনের এসব নীতি বৈষম্যমূলক এবং অবৈধ।প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে’ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য বিশ্বের ৩৯টি দেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। সেই সঙ্গে এই ৩৯টি দেশের যেসব নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব, গ্রিনকার্ড এবং স্থায়ী আবাসনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন— সেসব আবেদন পর্যালোচনাও অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়।এই স্থগিতাদেশ কার্যকর করার আগে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট) অধীন মার্কিন নাগরিক ও অভিবাশন পরিষেবা সংস্থা (ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস- ইউএসসিআইএস) ২০২৫ সালের নভেম্বরে একটি নীতি গ্রহণ করে। সেই নীতির আওতায় আংশিক কিংবা পূর্ণ নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের আবেদনপত্র পর্যালোচনার সময় তাদের জাতীয়তাকে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক বিষয়’ হিসেবে গণ্য করা শুরু হয়।ট্রাম্প প্রশাসন এ নীতি নেওয়ার পর তা বাতিলের আবেদন করে ডিসেম্বরে ম্যাসাচুসেটসের রাজধানী বোস্টনের ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করেন ইরান, হাইতি, ভেনেজুয়েলা, সিরিয়াসহ নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশগুলোর সারিতে থাকা ২০টি দেশের ২০০ জন নাগরিক। মামলায় বিবাদি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট) অধীন সংস্থা ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস বিভাগকে। গতকাল সেই মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জুলিয়া কোবিক। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর নাগরিকদের আবেদন পর্যালোচনায় যে স্থগিতাদেশ দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন— রায়ে সেই সেই স্থগিতাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন বিচারক।রায় ঘোষণার সময় বিচারক বলেছেন, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থা আবেদনপত্র যাচাইয়ে যে স্থগিতাদেশ দিয়েছে তা একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন এবং মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের নির্দেশের পরিপন্থি।কোবিক ২২ জন বাদীর বিরুদ্ধে ইউএসসিআইএস-কে এই নীতিগুলো প্রয়োগ করা থেকে বিরত রাখেন, যারা এই নীতিগুলোর দ্বারা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে ঘোষণাপত্র জমা দিয়েছিলেন। তিনি পক্ষগুলোকে আলোচনা করার নির্দেশ দেন যে তার এই আদেশ বাকি ২০০ জনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কিনা।মামলার যে ২০০ জন বাদি ছিলেন, তাদের মধ্যে ২২ জনের ওপর মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থার স্থগিতাদেশ বাতিল করেন বিচারক জুলিয়া কোবিক। সেই সঙ্গে বাকি বাদিদের ওপর থেকেও স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে কি-না— সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবী জিম হ্যাকিং এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস দপ্তর ৩৯ দেশেল নাগরিকদের জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়া কঠিন করতে চায়, যদিও কংগ্রেস এই নীতি কখনও অনুমোদন করেনি।”ফেডারেল আদালত রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছিল এএফপি, কিন্তু কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।













































