
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে চার দিনের বৈঠক শেষ হয়েছে। তবে এবারের শীর্ষবৈঠক শেষে ‘প্রথাগত’ যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেনি কোনো পক্ষই। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ইতিহাসে এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটলো।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বৈঠকের শেষ দিনে সীমান্তের সাম্প্রতিক উত্তেজনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ (বিজিবি)- এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লিতে পৌঁছে বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমারসহ অন্যান্য কর্তাদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) দিল্লির লোদী রোডে বিএসএফের সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত-বাংলাদেশ ৫৭তম সীমান্ত শীর্ষবৈঠক শুরু হয়।
কিন্তু নজিরবিহীন ভাবে শীর্ষবৈঠক শেষে যৌথ আলোচনার নথিতে স্বাক্ষরের পর দুই বাহিনীর ডিজি প্রথা মেনে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেননি। শুধু কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে সে সম্পর্কে একটি প্রেস বিবৃতি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে বিএনপি সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার পর ও পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর এটিই ছিল বিজিবি-বিএসএফের প্রথম বৈঠক। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ রোববার (৬ জুন) ঢাকায় সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে বিএসএফের ‘পুশইন’ ও সীমান্তে গুলি চালানোর ঘটনাগুলো বিজিবি বৈঠকে উত্থাপন করবে।
দুই দেশের মধ্যে ডিজি-স্তরের সীমান্ত বৈঠক ১৯৭৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হতো। তবে ১৯৯৩ সালে এটিকে বছরে দু’বার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একবার নয়াদিল্লি ও একবার ঢাকা- এভাবে এই বৈঠক হয়ে থাকে।
বিএসএফ-বিজিবি সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০২৫ সালের আগস্টে ঢাকায়। তখন বাংলাদেশে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় ছিল।
সূত্র :দেশ রুপান্তর











































