প্রচ্ছদ জাতীয় মানুষের জীবন বাঁচতে গিয়ে নিজের জীবনটাই

মানুষের জীবন বাঁচতে গিয়ে নিজের জীবনটাই

মানুষের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনটাই বিলিয়ে দিলেন তরুণ সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখ৷ তার মৃত্যুর খবর সত্যিই হৃদয় ভেঙে যাওয়ার মতো।

কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের কবলে জিম্মি ছিলেন প্রায় ১২০ জন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিক। তাঁদের উদ্ধারে বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সশস্ত্র মানবপাচারকারীরা এলোপাতাড়ি গু%লিবর্ষণ শুরু করে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে গু%লিবিনিময় হয়। এ সময় সেনাসদস্য তিতাস শেখ বাম কাঁধে গু%লিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। অতিরিক্ত র’ক্তক্ষরণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃ-ত ঘোষণা করেন।

নিহত তিতাস শেখ ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লক্ষ্মণদিয়া ইউনিয়নের আব্দুল হোসেনের ছেলে।

একটি পরিবার হারাল তাদের আদরের সন্তানকে। বাবা-মায়ের বুকভরা স্বপ্ন, স্বজনদের আশা-ভরসা মুহূর্তেই ডুবে গেল শোকের সাগরে। আর দেশ হারাল একজন সাহসী তরুণ সেনাসদস্যকে।

যে মানুষগুলোকে উদ্ধারের দায়িত্ব নিয়ে অভিযানে গিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই ফিরে পেয়েছেন নতুন জীবন। অথচ তাঁদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনটাই আর ফিরে পেলেন না তিতাস।

কিছু আত্মত্যাগের মূল্য কোনোভাবেই পরিমাপ করা যায় না। তিতাস শেখের এই আত্মত্যাগও তেমনই এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।

মহান আল্লাহ বীর এই সেনাসদস্যকে শহীদের মর্যাদা দান করুন, তাঁর সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে যেদিন সেনাবাহিনী সরে যাবে সেদিনই পার্বত্য চট্টগ্রাম জুম্মল্যান্ড হয়ে যাবে! লিখে রাখেন। পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছে যে অ*স্ত্র আছে সেটা আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনীর কাছেও নাই। আজকে আপনারা দেখছেন সাজেকে ঝামেলা হয়েছে সাজেকের ঝামেলা তো আজকের নয়! গতকাল দুচার জন সেনা অফিসার মা*রা গেলেও আমি অবাক হতাম না! কেনো? কারণ সেনাবাহিনী হাত-পা বেঁ*ধে ওখানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আপনাকে যদি হাত-পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেই আপনি সাঁতরাতে পারবেন ? সেনাবাহিনী যখন এসব সন্ত্রা*সীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হয় তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ফোন আসে বিভিন্ন সংসদ সদস্য থেকে সিগনাল আসে! এখানে অভি*যান চালানো যাবেনা। আর এরপরে যারা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করে তাদের দিকে মানুষ আঙুল তোলে সেনাবাহিনীর কাজ কি যদি পাহাড়ে স*ন্ত্রাসী থাকে আজকে আপনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করেন,পাহাড় কে অ*স্ত্র মুক্ত করতে না পারলে কারো চাকরি থাকবে না! সেনাবাহিনীকে পূর্ণ ক্ষমতা দেন যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনা করেন দেখবেন কাল পাহাড়ে একটা অবৈধ অ-*স্ত্র খুঁজে পাবেন না ! সব সন্ত্রা*সী কু*লাঙ্গা*ররা পাল…