
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে চুরির অভিযোগে মো. ফজলুল করিম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। পরে অনুতপ্ত হয়ে ভালো হওয়ার অঙ্গীকার করলে স্থানীয় লোকজন শাস্তিস্বরূপ তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তওবা করিয়ে ছেড়ে দেন। একই দিন রাতে ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকালে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মামা ফকির আস্তানা এলাকা থেকে তাকে চুরির অভিযোগে আটক করা হয়েছিল। ওই দিন রাতেই তাকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার ফজলুল করিম জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল ফোন ও একটি লেডিস ব্যাগ চুরির অভিযোগে ফজলুল করিমকে আটক করেন এলাকাবাসী। এ সময় ভবিষ্যতে আর কখনও চুরি কিংবা অসৎকাজে জড়াবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। তার অনুতাপ ও অসহায়ত্ব বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তওবা করতে বলে ছেড়ে দেন। ওই রাতেই জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৫ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জহির বলেন, ‘ভালো হওয়ার অঙ্গীকারে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতেই ইয়াবাসহ গ্রেফতারের খবর শুনে আমরা হতাশ হয়েছি। মানুষ নিজে থেকে পরিবর্তন না হলে তাকে বদলানো কঠিন।’
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘শুক্রবার বিকালে চুরির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে ছেড়ে দিয়েছিলেন। ওই রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালালে ১৫ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। চুরির পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ও জড়িত তিনি। শনিবার দুপুরে মাদকের মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’












































