
জনগণের অর্থে কপ-২৯ সম্মেলনে ৭৯ জনের টিম নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের আজারবাইজান সফরের যৌক্তিকতা ও ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় অর্থের কৃচ্ছ্রসাধনের বহু গল্প শোনালেও নিজ সফরে রাষ্ট্রীয় অর্থের সর্বোচ্চ অপব্যবহার করেছেন ইউনূস।’
সোমবার (১১ মে) ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের লেখেন, ‘কপ-২৯ সম্মেলনে ৭৯ জনের টিম নিয়ে আজারবাইজান গিয়েছিলেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সম্পূর্ণ তালিকাটি আপনাদের সুবিধার্থে প্রকাশ করা হলো।’
পোস্টের সঙ্গে আজারবাইজানে ড. ইউনূসের সফরসঙ্গীদের বিশাল তালিকাও তুলে ধরেন জুলকারনাইন সায়ের।
তিনি লেখেন, ‘ইউনূস সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রীয় অর্থের কৃচ্ছ্রসাধনের বহু গল্প শোনালেও নিজ সফরের সময় রাষ্ট্রীয় অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার তিনি করেছেন—যেমন ধরুন, ব্রিটিশ রাজার কাছ থেকে ব্যক্তিগত পুরস্কার আনতে তিনি যখন যুক্তরাজ্যে এসেছিলেন, তখন তিনি ও তার দলের ৩৯ জন সদস্যের জন্য যুক্তরাজ্যের অন্যতম ব্যয়বহুল হোটেল দ্য ডরচেস্টারে ৪ রাতের জন্য যে ৩৭টি রুম রিজার্ভ করা হয়—হোটেল বিলের একটি কপি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ৩৯ জনের সফরকারী দল চার রাত অবস্থানের জন্য ব্যয় করেছে ২,১০,৩২৫ ব্রিটিশ পাউন্ড বা প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা (১ পাউন্ড = ১৬৬ টাকা হিসাবে, ৯ জুন ২০২৫ হিসেবে)।
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা যে কক্ষে ছিলেন, সেই কক্ষের দৈনিক ভাড়া ছিল ৬০৪৫ পাউন্ড বা ১০ লাখ টাকা, ৪ দিনে কেবল তার কক্ষেরই বিল আসে ৪০ লাখ টাকা বা ২৪,১৮০ পাউন্ড।
জুলকারনাইন সায়ের আরো লেখেন, ‘আর সর্বনিম্ন দরের কক্ষটির জন্যও দৈনিক ব্যয় হয়েছিল ৮২৫ পাউন্ড বা ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। আচ্ছা, আজারবাইজানের কপ-২৯ সম্মেলনে ৭৯ জন সদস্যের খরচ কেমন হতে পারে? দেখি একটু খোঁজ নিয়ে।’











































