
এনসিপিতে যোগদানের পর দোয়া চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পাঠকদের জন্য আলী আহসান জুনায়েদের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
একটা জার্নির মধ্যে আছি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ক্লান্তিহীন দৌড়েছি। নানাভাবে দেশের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। স্বপ্ন দেখেছি, দেখিয়েছি। ভালোবাসা পেয়েছি প্রচুর। ছাত্রজীবনে শিবির করেছি, এরপর কর্মজীবনের নিরিবিলি জীবনের মধ্যেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অংশ হওয়া, প্লাটফর্ম নাগরিক কমিটিতে জয়েন করা, আপ বাংলাদেশ প্লাটফর্ম গঠন করা এসবই করেছি সময় ও বাস্তবতার তাগিদে। কিছু একটা করার তাড়না থেকে। অনেক কিছুই পারিনি, অনেকেই নানাভাবে কষ্ট পেয়েছেন আমার কাছ থেকে। প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। আপ বাংলাদেশ-এর সহযোদ্ধাদের প্রতি অশেষ ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা ও আমার সীমাবদ্ধতার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক দলে জয়েন করতে যাচ্ছি। জাতীয় নির্বাচন, পরবর্তী সময়ে জুলাই সনদ, গণভোট, গুম ও মানবাধিকার সংক্রান্তসহ জরুরি কিছু অধ্যাদেশ বাতিল সবকিছু মিলিয়ে একটা গুমোট পরিবেশ। এক জটিল বাস্তবতা। এতেই এনসিপির সাথে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপ বাংলাদেশ গঠন পরবর্তী সময়ে এনসিপিকে চাপে পড়তে হয়েছে, অনেক কিছুই কারেক্টিভ পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে প্রতিনিয়ত ম্যাচিউরড হয়েছে দলটি। আরো সময় লাগবে।
আমরাও অনেক ম্যাচুরিটি গ্রো করার মধ্য দিয়েই যাচ্ছি। সততা ও নীতির প্রিন্সিপাল আঁকড়ে থাকব, কখনোই বিচ্যুত হব না ইনশাআল্লাহ। বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার কাজ সবাই করে যাব ইনশাআল্লাহ। আমাদের পথচলা এক লক্ষ্যেই, তাই বারবার দেখা হবেই। আমাদের এই সিদ্ধান্ত পছন্দ-অপছন্দ যাই হোক, আপনার ও আপনাদের সবার দোয়া ও ভালোবাসা অব্যাহত থাকুক- এই দাবি রাখি।













































