
মে দিবস। প্রতি বছর ক্যালেন্ডারে ঘুরে ফিরে আসে একটি দিন। আসে স্লোগান, ব্যানার, মিছিল, আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আর ফুলের শ্রদ্ধার আয়োজন। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকে, থাকে নানা প্রতিশ্রুতির উচ্চারণও। কিন্তু এই একদিনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে শ্রমিকের জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন কতটা আসে—এই প্রশ্নটি আজও অমীমাংসিত।
শ্রম আর পুঁজি—এই দুই শব্দের দ্বন্দ্বেই গড়ে উঠেছে আধুনিক উৎপাদন কাঠামো। একদিকে শ্রমিক, যাদের মূল সম্পদ শরীর ও শ্রম; অন্যদিকে পুঁজি, যা সেই শ্রমকে ব্যবহার করে উৎপাদন ও মুনাফা নিশ্চিত করে। রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে শ্রমিকের অস্তিত্ব থাকলেও বাস্তব অধিকার কতটা কার্যকর—তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
বাংলাদেশসহ প্রায় সব উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে উৎপাদন ব্যবস্থা মূলত ব্যক্তিমালিকানাধীন। ফলে উৎপাদনের নিয়ন্ত্রণ থাকে অল্প কিছু মানুষের হাতে, আর শ্রমিক থাকে সিদ্ধান্তহীন অবস্থানে। এখানে শ্রমিকের কাছে নেই জমি, নেই উৎপাদন যন্ত্র, নেই পুঁজি—আছে শুধু শ্রম, যা তার বেঁচে থাকার একমাত্র উপায়।












































