
পাটগ্রাম পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির সোহেল রানা
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির সোহেল রানা কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে নবজাতক মেয়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন। মেয়ের জানাজায় তার উপস্থিতিতে সেখানে শোকের ছায়া নেমে আসে।
শনিবার লালমনিরহাট জেলা কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয় সোহেল রানাকে। পরে পুলিশ পাহারায় পাটগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত তার নবজাতক মেয়ের জানাজায় অংশ নেন তিনি। জানাজা শেষে রাত ১২টার মধ্যে তাকে পুনরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোহেল রানার স্ত্রী দুই দিন আগে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবজাতকটির মৃত্যু হয়। মেয়ের শেষবারের মতো মুখ দেখা এবং জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানাকে প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে পাটগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় নিয়ে আসা হয়। জানাজা শেষে মেয়ের মাগফিরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চান তিনি।
এ সময় উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে সোহেল রানা বলেন, অসুস্থ স্ত্রীর পাশে এই দুঃসময়ে থাকতে না পারা তার সবচেয়ে বড় দুঃখ। তিনি আরও বলেন, মানবপাচার মামলার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তার বিরুদ্ধে এ মামলা দেওয়া হয়েছে।
জানাজায় জামায়াতে ইসলামীর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
পাটগ্রাম থানার ওসি নাজমুল হক বলেন, নবজাতক মেয়ের জানাজায় অংশ নিতে সোহেল রানা আদালতের নির্দেশে প্যারোলে মুক্তি পান। জানাজা শেষে পুলিশ পাহারায় তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।











































