
রাজনৈতিক দল থেকে কোনো সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করলেই সরাসরি তাঁর এমপি পদ বাতিল হয়ে যায় না। সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পদ সম্পর্কিত বিষযটি নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এমন স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা বা চিঠি না পাওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংবিধানের আইনি বিধির কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। সংবিধানের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য যদি নিজ থেকে দলত্যাগ করেন, তবেই তাঁর পদ শূন্য হওয়ার বিধান আছে। তবে দল যদি কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করে, কেবল সেই কারণে সংবিধান অনুযায়ী পদ হারানোর সুযোগ নেই।
নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি এখন স্পিকার ও জাতীয় সংসদের ওপর নির্ভর করছে। স্পিকারের পক্ষ থেকে কোনো রেফারেন্স বা নির্দিষ্ট নির্দেশনা সংবলিত চিঠি ইসিতে পৌঁছালে, আইন পর্যালোচনা করে কমিশন তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও ইসি থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছে। ইসি কর্মকর্তা আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, সরকারের সাথে পূর্ণ সমন্বয় রেখে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। আগামী অক্টোবর মাসকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। নতুন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমেই এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে আবহাওয়া, দেশের শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয় সুচিন্তিতভাবে বিবেচনা করেই তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।











































