
কুমিল্লা-১ আসনের এমপি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সমাজকর্মী নাইমা খন্দকার প্রাণনাশের শঙ্কায় ভুগছেন। শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে স্ট্যাটাসে তিনি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তার দাবি, শ্বশুর খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন স্বামী খন্দকার মাহবুব হোসেন তুষার। এ সুযোগে তাকে নানাভাবে হয়রানি, নাজেহালসহ প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
যেকোনো সময় তাকে প্রাণনাশসহ বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে দাউদকান্দির বেশ কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের কোনো সদস্যের ইন্ধনে এমন ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় ২০ দিন ধরে দাউদকান্দি থানায় এবং সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ করেও কোনো কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
নাইমা খন্দকার জে. হুদা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক ও সচিব এবং জাতীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার কুমিল্লা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন তিনি নারী ও শিশুদের অধিকার এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী ও পরিবার সূত্র জানায়, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে রয়েছেন। এই সমাজকর্মী বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক পরিবারের পুত্রবধূ হয়েও যদি নিজের এলাকায় এমন হেনস্তা ও নিরাপত্তাহীনতার শিকার হই, তবে সাধারণ পরিবারের মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়?’ কারা এই অপপ্রচার এবং হুমকির পেছনে রয়েছে, তার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। তাছাড়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলো শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দিতে পরামর্শ দিয়েছি।











































