
কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে জামায়াত-শিবির হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। শনিবার (১৫ আগস্ট) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ দাবি তোলেন।
ফেসবুক পোস্টে নুরুল হক নুর লেখেন, কুষ্টিয়া গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে নেতা-কর্মীদের ওপর জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা রামদা, হকিস্টিক, ছুরি, চাপাতি নিয়ে উপর্যুপরি হামলা করেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ছাত্র অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সভাপতি সোহান আহমেদসহ অর্ধশত নেতাকর্মী।
এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, জামায়াত-শিবিরের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে জামাত-শিবিরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, গত দেড় দশক যেভাবে গুপ্ত ছিলেন বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা হবে।
এর আগে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের ছয়রাস্তা মোড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলায় আহত এমপি মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করেন, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়। এতে তিনিসহ জামায়াতের অন্তত সাতজন কর্মী আহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ভিপি নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার কটূক্তির বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে জেলা গণঅধিকার পরিষদ। এ সময় মুফতি আমির হামজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি শেষ করে গাড়িযোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করছিলেন। তখন তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সূত্র : চ্যানেল ২৪













































