
জাতীয় নির্বাচনের ডামাডোলের ৪ মাস পেরিয়েছে। এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পালা। সেক্ষেত্রে প্রথমে হতে পারে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন। আগামী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সব স্তরের নির্বাচন শুরু হওয়ার পর ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যেই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।
জাহেদ উর রহমান জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন একটি প্রাথমিক রোডম্যাপ প্রস্তুত করেছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন—প্রতিটি নির্বাচনের জন্য পৃথক পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ এসব রোডম্যাপ চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং অক্টোবরের প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনও সম্পন্ন করা হবে।
এদিকে, আগামী ৫ আগস্টের আগেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে সোমবার এক অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, অক্টোবরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। একই অনুষ্ঠানে আরেক নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে ইসি।












































