
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির এক কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের বিজয়পুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির কর্মীর নাম খোকন ওরফে ‘জুয়াড়ি লেংড়া খোকন’। তিনি বারপাড়া ইউনিয়নের উত্তর দুর্গাপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারী লাইব্রেরির সামনে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে অভিযোগ ওঠে, ওই সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। ভিডিওটি প্রকাশের পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ওঠে।
বারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি সফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দলের কোনো পদধারী নেতা নন; তিনি একজন কর্মী। এ ধরনের জঘন্য ও নিন্দনীয় ঘটনার সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
বিজয়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিন বলেন, অভিযুক্তকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তাকে আটক করা সম্ভব হলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হবে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আত্মগোপনে রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল অভিযান পরিচালনা করছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।













































