
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ঋণের কিস্তির চাপ সহ্য করতে না পেরে চন্দন ভগত (৫৮) নামে এক ব্যবসায়ীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
পরিবারের দাবি, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধের চাপেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
page-top-ad
নিহত চন্দন ভগত (৫৮) উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুস্তা বন্দর (মুড়িহাট) এলাকার পরলোকগত বৈদ্যনাথ (দেবনাথ) ভগতের ছেলে।
পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতের কোনো এক সময় নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির রেলিংয়ের সাথে নাইলনের দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন চন্দন ভগত।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ঘিওর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘিওর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।সংবাদ বিশ্লেষণ
নিহতের স্ত্রী নুপুর রবি দাস জানান, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেয়া কিস্তির ঋণ পরিশোধ নিয়ে কয়েক মাস ধরেই মানসিক চাপে ছিলেন তার স্বামী। মঙ্গলবার কিস্তির টাকা আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোকজন বাড়িতে এলে টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তিনি সারাদিন বাড়ির বাইরে ছিলেন। রাতে পরিবারের অজান্তেই এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রাও জানান, ঋণের কিস্তি নিয়ে চন্দন ভগতকে প্রায়ই উদ্বিগ্ন থাকতে দেখা যেত। তবে মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি-না, সেটি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি কেউ।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে ঋণের চাপের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এটিই মৃত্যুর একমাত্র কারণ কি-না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বিষয়সমূহ
আত্মহত্যা











































