
জাতীয় সংসদের চলমান বাজেট অধিবেশনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে এবং ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নিতে পারবেন কি না এ প্রশ্ন তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
সোমবার (১৫ জুন) সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, জেলা পরিষদগুলোতে ইতোমধ্যে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাঁরা সবাই দলীয়ভাবে মনোনীত। অথচ সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ার কথা।
তিনি বলেন, “২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষ সংগ্রাম করেছে। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার চার মাস পরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা আসেনি।”
স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্যের অভিযোগ, নির্বাচিত প্রতিনিধির পরিবর্তে প্রশাসকদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পরিচালনা সংবিধানের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কথাও তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “কেউ বলছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে; কেউ বলছেন পারবে না। আবার কেউ বলছেন, দলীয় প্রতীক না থাকলে আওয়ামী লীগের ক্লিন ইমেজের প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।”
তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে এবং অংশগ্রহণের যোগ্যতা নির্ধারণে সরকারের নীতিগত অবস্থান কী।
জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে আমরা যে সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি, সে অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।”
তবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের বিষয়ে মন্ত্রী কোনো সুনির্দিষ্ট বক্তব্য দেননি।












































