
তবে জামায়াতের সঙ্গে জোটের প্রতিবাদে তাদের পদত্যাগই প্রমাণ করেছে যে তারা কোনো রাজনৈতিক দলের ‘এজেন্ট’ ছিলেন না।
পোস্টের শেষদিকে তিনি বলেন, এনসিপির ভেতরে পারস্পরিক অবিশ্বাসের সংস্কৃতি রয়েছে এবং দলটির বিভিন্ন স্তরে বিভক্তি ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। এমনকি নেতৃত্ব পর্যায়েও একাধিক গ্রুপ সক্রিয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি লিখেছেন, ‘জুলাই পদযাত্রায় দেখেছি মঞ্চে উঠা, বক্তৃতা দেয়া, হাততালি-স্লোগান পাওয়া নিয়ে একেকজনের ইনসিকিউরিটি (হীনম্মন্যতা) আর জেলাসি (ঈর্ষা)।’
মুশফিক উস সালেহীন যে দুজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জামায়াতের সঙ্গে জোটের পক্ষে ছিলেন না বলে দাবি করেছেন, তারা হলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম। এর মধ্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত হওয়ার পর গত ২৯ ডিসেম্বর এনসিপিতে যোগ দেন। আর মাহফুজ আলম এনসিপিতে যোগ না দিয়ে ‘অলটারনেটিভস’ নামে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়েছেন।
সূত্র : ইত্তেফাক












































