
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে এক যুবকের হাতে দেখা যাওয়া কালো রঙের বস্তুটি নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও সংশ্লিষ্টদের দাবি— এটি কোনো অস্ত্র নয়, বরং আত্মরক্ষার জন্য বহন করা একটি ‘চাইনিজ সেফটি লাঠি।
শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজ শেষে ঝিনাইদহ শহরে সংঘর্ষের সময় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে আকাশি রঙের গেঞ্জি পরিহিত এক যুবক তার পোশাকের ভেতর থেকে কালো রঙের একটি লম্বাটে বস্তু বের করার চেষ্টা করছেন। ঠিক তখনই পাশে থাকা পাঞ্জাবি পরিহিত আরেক যুবক তাকে থামিয়ে দেন। ভিডিওটির ওই অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় তুমুল আলোচনা।
পরবর্তীতে এনসিপির মিডিয়া গ্রুপে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় পাঞ্জাবি পরিহিত যুবকটি দাবি করেন, সেটি কোনো অস্ত্র নয় বরং আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহৃত চাইনিজ সেফটি লাঠি। তিনি বলেন,ভিডিওতে যেটিকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেটি আসলে একটি সেফটি স্টিক। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য এটি সঙ্গে রাখা হয়েছিল।
তিনি আরও দাবি করেন,ভিডিও ফুটেজ ভালোভাবে দেখলেই বোঝা যাবে এটি কোনো আগ্নেয়াস্ত্র বা ক্ষতিকর কিছু নয়। এটি আত্মরক্ষার সাধারণ একটি লাঠি। এদিকে ভাইরাল ভিডিও ও ছবিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বিষয়টিকে আত্মরক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।
ঘটনার সময় ভিডিওতে দেখা দুই যুবকের পরিচয় নিয়েও আলোচনা চলছে। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তাদের পরিচয় উল্লেখ করেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল।













































