
সাড়ে ১১টার দিকে সুযোগ বুঝে মরদেহের সাত টুকরো নিচে ময়লার স্তূপে এবং মাথার অংশটি এক কিলোমিটার দূরে ফেলে দেওয়া হয়।
হত্যাকাণ্ড ও ছাদ পার্টির পর ১৬ মে তাসলিমা তার ছোট ছেলেকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান এবং ১৭ মে হেলেনা তার দুই মেয়েকে নিয়ে কাজে যোগ দেন। তবে ১৭ মে দুপুরে মরদেহ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ালে এলাকাবাসী ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের টুকরোগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র শনাক্ত করে মোকাররমের পরিচয় নিশ্চিত করে।
ঘটনাটি নজরে আসার পর র্যাব-৩ গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত হেলেনা আক্তার ও তার মেজো মেয়েকে গ্রেপ্তার করে। হেলেনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে মোকাররমের মাথার অংশটি উদ্ধার করা হয়। এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্য আসামি তাসলিমাকে গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।













































