
নাটোর ২৫০ শয্যার হাসপাতালে কন্যা শিশুর চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালের সুইপারদের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে একটি মামলা করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চার দিন আগে নিজের অসুস্থ শিশুকন্যাকে নাটোর ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করান ওই নারী। রোববার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে যান হাসপাতালেরে আউটসোর্সিং সুইপার অমিত। এরপর তাকে হাসপাতালের ছয়তলার সিঁড়িঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সেই ভিডিও মোবাইলে ধারণ করেন অমিতের দুই সহযোগী ও হাসপাতালের আউটসোর্সিং সুইপার অনিল এবং প্রাঙ্গন।
রাত ২টার দিকে শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা শিশুকে চার ঘণ্টা একা দেখে তার মাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যের সাহায্য চান। পরে সবাই মিলে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সিসি ক্যামেরা দেখে ছয়তলায় গিয়ে হাতেনাতে ধরা হয় ওই তিনজনকে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আরশেদ আলী বলেন, যারা ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের সঙ্গে জড়িত, তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত আছে।










































