
দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ১ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ‘জরুরি চাহিদা’ মেটানোর লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই আমদানির প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমদানির এই প্রস্তাবটি পরবর্তী বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। মূলত অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতেই দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে গেলেও গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের পেট্রল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।
জ্বালানি সংকটের এই অস্থিরতার মধ্যেই গত শনিবার সন্ধ্যায় অভ্যন্তরীণ বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সমন্বয় অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৫ টাকায়। এছাড়া অকটেন ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সরকার আশা করছে, নতুন এই বড় চালান দেশে পৌঁছালে পাম্পগুলোর দীর্ঘ লাইন ও সরবরাহ সংকট দ্রুত কেটে যাবে।












































