প্রচ্ছদ জাতীয় গভীর রাতে নারীর ঘরে যুবদল নেতা, অতঃপর স্থানীয়দের হাতে নাজেহাল

গভীর রাতে নারীর ঘরে যুবদল নেতা, অতঃপর স্থানীয়দের হাতে নাজেহাল

ফেনীর ফুলগাজীতে গভীর রাতে এক বিধবা নারীর ঘরে প্রবেশের অভিযোগে উপজেলা যুবদলের এক নেতাকে আটক করেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পরে তাকে নাজেহাল করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক মনিরুজ্জামান মনির ফুলগাজী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তাকে আটকের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

তবে মনিরুজ্জামান মনির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং স্থানীয় জামায়াতের লোকজন তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এ নাটক সাজিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার মধ্যরাতে অভিযুক্ত ওই যুবদল নেতাকে সন্দেহজনকভাবে এক নারীর ঘরে ঢুকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। বিষয়টি নজরে আসার পর এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। তখন তাকে নাজেহাল এবং ওই নারীকে মারধর করে জনতা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই নেতার বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বারবার পার পেয়ে যাচ্ছিলেন।

এ বিষয়ে ফুলগাজী উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নুরুল হুদা শাহীন বলেন, নারীঘটিত কারণে মনিরকে আটক করেছে বলে শুনেছি। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি এবং সত্য হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দল কখনো কারো অপরাধের দায়ভার নেবে না এবং অপরাধীকে প্রশ্রয় কিংবা সহযোগিতা করব না। যে নারীর সঙ্গে ঘটনা ঘটেছে তারা যদি আইনানুগ ব্যবস্থা নেন, আমরা সহযোগিতা করব।

এদিকে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন ডেকে যুবদল নেতা মনিরুজ্জামান মনির বলেছেন, রাতে স্থানীয় একটি দোকান থেকে ফেরার সময় কিছু মানুষ তার পিছু নেয়। তার ওপর হামলা হতে পারে- এ ভয়ে তিনি ওই নারীর ঘরে ঢোকেন। তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং স্থানীয় জামায়াতের লোকজন তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এ নাটক সাজিয়েছে বলে দাবি তার।