
সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম রামগঞ্জের উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছেন, বিষয়টি অজুহাত দিয়ে ঢাকা দেওয়া যাবে না, এমনই মন্তব্য করেছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। বুধবার মাহফুজের এক ফেসবুক পোস্টের প্রেক্ষিতে নিজের ফেসবুক পাতায় বিষয়টি জানান সংসদ সদস্য।
বুধবার সংসদ অধিবেশনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সড়কের বেহাল দশা ও ক্রমবর্ধমান দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণহানি রোধে আবেগঘন একটি বক্তব্য দেন।
কুমিল্লার দেবিদ্বার এলাকায় মহাসড়কটি দ্রুত প্রশস্ত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই রাস্তা ১০ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাবে, আপনাদের কাছে আমি ভিক্ষা চাই– দ্রুত রাস্তাটি করে দিন।
এরপরই এক ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ লিখেছিলেন নিজের কথা। তিনি জানান উপদেষ্টা থাকাকালে অন্য উপদেষ্টাদের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি। তিনি বলেন, ‘আজকে হাসনাতের সংসদে ‘আকুতি’ দেখে মনে পড়ল যে, রামগঞ্জ-লক্ষীপুরের উন্নয়নের জন্য ৪/৫ জন জন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোন হেল্প পাইনি। তাদের সাথে কয়েকবার দেখা করেছি। ডিও লেটার দিয়েছি। সেসব লেখার সময় এখনো আসেনি।’
তিনি জানান, কোনো এক রাজনৈতিক দলের চাপে এই সাহায্য পাননি তিনি। তার কথা, ‘এতটুকু বলতে পারি যে, একটি রাজনৈতিক দলের চাপে/ সিদ্ধান্তে উনারা আমার এলাকায়/ আমাকে কোন সহযোগিতা করেন নি।’
তবে লক্ষীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমের অভিমত, উপদেষ্টা থাকাকালে রামগঞ্জের উন্নয়নের জন্য বাস্তবে আগ্রহই দেখাননি মাহফুজ। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা থাকাকালীন সময়ে রামগঞ্জের দৃশ্যমান উন্নয়নে তার কোনো অবদান চোখে পড়েনি। অথচ সে সময় তার হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘রামগঞ্জের উন্নয়নের প্রশ্নে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ—এটা এখন আর আড়াল করার সুযোগ নেই। কথার ফুলঝুরি বা অজুহাত দিয়ে বাস্তবতা ঢেকে রাখা যায় না। রামগঞ্জের প্রতি তার কোনো বাস্তব আগ্রহ কখনোই দেখা যায়নি।’













































