
কর্নেল অলি আহমদ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কাছে ‘বারডেন’ হয়ে গেছেন। এ কারণে তাকে কৌশলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী করে জোটের নেতৃত্ব থেকে বিদায় জানানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
রোববার (০৯ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনোই সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারে না। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির আগে প্রার্থী ঘোষণা করে তারা আবারও এর প্রমাণ দিয়েছে। এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে সই নিয়েও একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল দলটি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে রাশেদ খান লেখেন, কয়েক দিন আগে গণমাধ্যমে বিরোধীদল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না বলে খবর প্রকাশিত হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতায় যেতে পারবে না বুঝতে পেরেও কি জামায়াত-এনসিপি নির্বাচন বর্জন করেছিল?
তিনি বলেন, নির্বাচনে জেতার চেয়ে অংশগ্রহণ করাই গণতান্ত্রিক সৌন্দর্যের অংশ। জাতীয় নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিরোধীদলের দায়িত্ব। বিরোধীদল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হলে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও নির্বাচনি প্রক্রিয়াগুলোতে অংশ নিতে হবে। এটাই সংসদীয় রাজনীতি।
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘আমার ধারণা, কর্নেল অলি আহমদ হয়তো জামায়াত-এনসিপির কাছেও বারডেন হয়ে যাচ্ছেন। এজন্য তাকে কৌশলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী করে জোটের নেতৃত্ব থেকে বিদায় জানালো।’
এর ব্যাখ্যায় তিনি বন্ধনীর মধ্যে লেখেন, ‘যেহেতু জেতার সম্ভাবনা নেই, প্রার্থী হওয়ার পর আর জাতীয় রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে না, এজন্য বললাম।’










































