
সাগর ভাইয়ের রিকশার তার কেটে দেওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আসা সেই ট্রাফিক পুলিশ এবার নিজের বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নিষিদ্ধ সড়কে অটোরিকশা প্রবেশ ঠেকাতে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। তবে সাগরের সেই ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পর মানুষের ভালোবাসায় তাঁর জীবনে যে পরিবর্তন এসেছে, তা ছিল তাঁর ধারণার বাইরে।
প্রচারিত বক্তব্য অনুযায়ী, সাগরের রিকশার তার কাটার কারণ জানতে চাইলে ওই ট্রাফিক পুলিশ মুচকি হেসে বলেন, তার কেটে দিয়ে যেন সাগরের জীবনে এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথ খুলে দিয়েছেন তিনি।
ঘটনাটি ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে অনেকেই সাগরের পাশে দাঁড়ান। বিভিন্ন মানুষের আর্থিক সহযোগিতায় এক দিনেই তিনি ১০ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। মানুষের এই ভালোবাসা সাগরের জীবনে নতুন আশার আলো দেখিয়েছে।
ট্রাফিক পুলিশ আরও জানান, নিষিদ্ধ সড়কে অটোরিকশা প্রবেশ করলে চালকদের সতর্ক করা হয়। মাইকিংয়ের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার কথা জানানোর পরও কেউ আইন অমান্য করলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগেও অনেক অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সাগরের ঘটনা এভাবে ভাইরাল হবে এবং মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়াবে, তা তিনি ভাবেননি। পাশাপাশি পথশিশু ফাউন্ডেশনের মাধ্যমেও সাগরকে সহযোগিতা পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেন ওই ট্রাফিক পুলিশ।
তবে সবার প্রতি তাঁর সতর্কবার্তা, সাগরের মতো ভাইরাল হওয়ার আশায় কেউ যেন ঝুঁকিপূর্ণ বা নিষিদ্ধ সড়কে অটোরিকশা নিয়ে প্রবেশ না করেন। এসব সড়কে দূরপাল্লার ভারী যানবাহন চলাচল করায় যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সাগরের জীবনে মানুষের সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হওয়া যেমন আনন্দের, তেমনি সড়ক নিরাপত্তা ও আইন মেনে চলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। মানবিক সহায়তা যেমন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে, তেমনি একটু সচেতনতাও রক্ষা করতে পারে মূল্যবান প্রাণ।
সাগরকে নিয়ে মুখ খুললেন সেই ট্রাফিক পুলিশ—ভাইরাল ঘটনার পেছনের কারণ জানিয়ে দিলেন নিজের বক্তব্যে।










































