
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সভাপতি আল নুর মোহাম্মদ আয়াস ও মারজিয়া খন্দকার রিমির জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে ঢাকার আদালতে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির কারণে কিছু সময়ের জন্য এজলাস ছেড়ে খাস কামরায় চলে যান বিচারক।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসানের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আল মহসিন তৌহিদের সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে কয়েকজন আইনজীবী তাঁকে মারধর করেন বলে জানা গেছে। এ সময় তাঁর শার্টও ছিঁড়ে যায়।
পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে বিচারক এজলাসে ফিরে সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে আয়াস ও রিমির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন সুমন জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন।
এর আগে গত রোববার আদালত আয়াসের তিন দিন এবং রিমির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে বুধবার তাঁদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
গত শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির দক্ষিণ পাশের দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি বিকৃত ও নষ্ট করার চেষ্টার অভিযোগে এক নারীসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। পরে শাহবাগ থানায় করা মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ আনা হয়।









































