প্রচ্ছদ জাতীয় তামিমের গন্তব্য এবার ভারতে, সফরের নেপথ্যে কী?

তামিমের গন্তব্য এবার ভারতে, সফরের নেপথ্যে কী?

আগের দিন নিজের স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। পূর্বাচলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থায়নে নির্মাণ হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’। সেই স্বপ্ন পূরণের কাজ শুরু হবে কিছুদিনের মধ্যেই। যার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে আগের থেকেই। গতকাল বোর্ড সভায় মিলেছে অনুমোদন।

এরই মধ্যে খবর মিলল, ভারতীয় বোর্ডের ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ পরিদর্শনে যাচ্ছেন তামিম। বিসিবি সভাপতি বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতে উড়াল দিয়েছেন। যেখানে তার সফরসঙ্গী হয়েছেন বিসিবির গ্রাউন্স কমিটির সভাপতি শাহনিয়ান তানিম। পহেলা আগস্ট ভারতের বেঙ্গালুরুতে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ পরিদর্শন করবেন তামিম। যেখানে ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি মিঠুন মানহাসও থাকতে পারেন।

মূলত সেখানকার আধুনিক অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, জিম, স্পোর্টস সায়েন্স ও বায়োমেকানিক্স সুবিধা কাছ থেকে দেখবেন তামিম। এছাড়া নতুন করে আরও কিছু যুক্ত করা যায় কিনা তাও বের করবেন। সংবাদ প্রতিবেদন

বুধবার বোর্ড সভা শেষে তামিম বলেন, ‘আজকে আমাদের বোর্ড মিটিং ছিল। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং আমি মনে করি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য সবচেয়ে সিগনিফিকেন্ট ডিসিশন হচ্ছে আমরা এক্সিলেন্স সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। আমরা আজকে এটার অ্যাপ্রুভাল পেয়েছি এবং খুব দ্রুতই কাজ শুরু হবে।’

কয়েক বছর আগে আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান পপুলাস এক্সিলেন্স সেন্টার ও স্টেডিয়ামের নকশা তৈরি করেছিল। তবে বর্তমান বোর্ড সেই নকশায় পরিবর্তন আনতে চায়।

তামিম বলেন, ‘আমি যে এক্সিলেন্স সেন্টারের স্বপ্ন দেখি, সেটার সঙ্গে আগের ডিজাইনটি পুরোপুরি এক করছিল না। তাই আমরা পপুলাসকে রিকোয়েস্ট করেছি এটি রি-ডিজাইন করতে। ডিজাইন পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। তবে বোর্ড একমত হয়েছে যে বিসিবির ফান্ড ব্যবহার করে আমরা এই এক্সিলেন্স সেন্টারটি কমপ্লিট করব।’

বিসিবি সভাপতির আশা, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে এক্সিলেন্স সেন্টারের নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হবে, ‘এই এক্সিলেন্স সেন্টারটি আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা আছে। সেখানে বিসিবি অফিসসহ সব ধরনের ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ফ্যাসিলিটি থাকবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটার ডিজাইনিং এবং ফ্যাসিলিটির সঙ্গে ইনভলভড আছি, কারণ আমি চাই বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সেরাটা দিতে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় মাইলফলক হবে।’

তামিমের মতে, শুধু জাতীয় দলের জয়-পরাজয় দিয়ে বোর্ডের মূল্যায়ন করা উচিত নয়। অবকাঠামো উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ, ‘অনেক সময় বোর্ডকে শুধু জয়-পরাজয় দিয়ে বিচার করা হয়। কিন্তু ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টও আমাদের বড় দায়িত্ব। গত কয়েক বছরে ফ্যাসিলিটিজ নিয়ে কাজ কম হয়েছে। আমার কাছে সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট হলো ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের জন্য ফ্যাসিলিটি তৈরি করা।’

এক্সিলেন্স সেন্টারের সম্ভাব্য বাজেট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেন, নকশায় পরিবর্তনের কারণে এখনই নির্দিষ্ট অঙ্ক বলা সম্ভব নয়, ‘স্ট্রাকচারাল ডিজাইন থেকে শুরু করে সবকিছুর ওপরই বাজেট নির্ভর করে। ওরা যখন নতুন ডিজাইন নিয়ে আসবে, তখন আমরা মূল্যায়ন করে বলতে পারব। তার আগে কোনো অঙ্ক বলে দিলে পরে কম বা বেশি হলে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি হবে। এসব প্রকল্পে বাজেট সবসময় পরিবর্তন হতে পারে।’

সূত্র : চ্যানেল 24