
গত ১২ জুন বাংলাদেশে আসেন ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পরবর্তীতে ২৫ জুন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে দীনেশ ত্রিবেদী আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের এক মাস পর আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেন ত্রিবেদী।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। সেখানে প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি যাবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এবং নিকট ভবিষ্যতেই এ সফর হবে বলে আশাবাদী।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ঢাকায় দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার প্রথম বৈঠক।
হাইকমিশনার জানান, অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও খেলাধুলা ও ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা পুনরায় চালু হওয়ায় দুই দেশের জনগণই উপকৃত হবেন। ঐতিহাসিক সম্পর্ক, অভিন্ন সংস্কৃতি ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে বাংলাদেশ এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ব্রিকস নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। আমাদের পক্ষ থেকে শুধু বলতে পারি, তার ভারত সফরের জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি এবং আশা করছি, নিকট ভবিষ্যতেই এই সফর অনুষ্ঠিত হবে।’










































