
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করেন তবে স্পিকারের কাছেই করবেন। এরপর অ্যাকটিং রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার দায়িত্ব পালন করেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে সংসদে নির্বাচনের মাধ্যামে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এটাই সংবিধানের নিয়ম।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গতকাল শারিরীক চেকআপ সম্পন্ন হওয়ার কারণে দেশে ফিরেছেন।
এর আগে স্পিকার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিজি ৩২১ এ শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই তার ফেরার কথা ছিল। এর জন্য ফিরতি টিকিটও কাটা ছিল। কিন্তু সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরতে স্পিকারকে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সফরসূচি অনুযায়ী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে দ্রুত দেশে ফিরতে অনুরোধ করা হয়েছে স্পিকারকে। সে কারণে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরছেন।’ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের কারণে হয়তো সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।









































