
কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং পানি লবণমুক্তকরণ (ডিস্যালিনেশন) প্লান্টে হামলারও নিন্দা জানিয়েছে রিয়াদ।
শনিবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের বিরুদ্ধে ইরানের ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় সৌদি আরব গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং এসব ঘটনার জবাবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে।
বিবৃতিতে সৌদি আরব অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক উত্তেজনা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংঘাত আরও বিস্তার রোধ করা জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড় শয়তান’ বললেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকায় উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি, পানি পরিশোধন ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ স্থাপনাগুলোতে হামলার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে ইরান। শনিবার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট স্পেকটেটরের বরাতে এক ইরানি সামরিক সূত্র এ দাবি করেছে।
সূত্রটির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকলে কুয়েতসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
একই সূত্রের ভাষ্য, ইরান এখন তুলনামূলক বেশি নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছে। তাদের দাবি, আগের কম নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে।











































