
গরমে বিদুৎ বিল বেশি আসার পেছনে অসাধু কর্মকর্তারা দায়ী কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বিদুৎমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীতে ক্যাবের নাগরিক সংলাপে এ কথা জানান তিনি।
গরমে বিদুৎ বিল বেশি আসার পেছনে অসাধু কর্মকর্তারা দায়ী কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বিদুৎমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীতে ক্যাবের নাগরিক সংলাপে এ কথা জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, গরমে বাড়তি ব্যবহারসহ নানা কারণে বিদ্যুতের বিল বাড়তে পারে, তবে বিতরণ সংস্থার কর্মচারী- কর্মকর্তারাও সবাই সৎ নয়। মূল ঘটনা খতিয়ে দেখতে হবে, সবাইকে সহায়তা করতে হবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখেছে আগের সরকার। সবমিলিয়ে যে আর্থিক অব্যবস্থাপনা রেখে গেছে, তা পুনরুদ্ধার করে স্থিতিশীল করতে কাজ করতে হচ্ছে।
দায় পরিশোধে ঋণের ওপর চাপ কমাতে বিভিন্নভাবে সমন্বয় করতে হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর অবস্থা পর্যালোচনা ও মূল্যায়নে একটি কারিগরি টিম গঠন করা হবে। নদী, রেল ও সড়ক বিভাগের জমিতে সোলার ব্যবহার করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, গরমে বাড়তি ব্যবহারসহ নানা কারণে বিদ্যুতের বিল বাড়তে পারে, তবে বিতরণ সংস্থার কর্মচারী- কর্মকর্তারাও সবাই সৎ নয়। মূল ঘটনা খতিয়ে দেখতে হবে, সবাইকে সহায়তা করতে হবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখেছে আগের সরকার। সবমিলিয়ে যে আর্থিক অব্যবস্থাপনা রেখে গেছে, তা পুনরুদ্ধার করে স্থিতিশীল করতে কাজ করতে হচ্ছে।
দায় পরিশোধে ঋণের ওপর চাপ কমাতে বিভিন্নভাবে সমন্বয় করতে হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর অবস্থা পর্যালোচনা ও মূল্যায়নে একটি কারিগরি টিম গঠন করা হবে। নদী, রেল ও সড়ক বিভাগের জমিতে সোলার ব্যবহার করা হবে।
এসময় বিদ্যুতে ভর্তুকি ও ব্যয় কমিয়ে আনার পরামর্শ দেয় ক্যাব।












































