
ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ৫ এবং ৭ দশমিক ২ মাত্রার পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন ভবন ধসে পড়েছে। এমতাবস্থায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
ডেলসি রদ্রিগেজ জানান, মাইকেতিয়ার সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়ার পর বিমানবন্দরটি বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া,স্কুল ক্লাস বাতিল এবং মেট্রো ও রেলসেবা স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব ধরনের অ-প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেলসি রদ্রিগেজ জানান, তিনি সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফকে সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন। বলিভারিয়ান ন্যাশনাল গার্ডের কমান্ডার জেনারেল এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন।
উল্লেখ্য,মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে কারাকাস থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এতে প্রাণহানির সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএস।
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার অধিকাংশ ভবন ও বাড়িঘর নির্ম ভূমিকম্প সহনশীল প্রযুক্তি অনুসরণ করে তৈরি করা হয়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার বা তার চেয়ে বেশিও হতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা, বিবিসি












































