
আলোচিত ও জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চোধুরী কয়েকদিন আগে বিয়ে করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ক্যানসার গবেষক ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই শুভ কামনা জানাচ্ছেন। আবার অনেকেই তাদের বয়সের ব্যবধান নিয়ে তুমুল সমালোচনা করছেন।
গত ৫ জুন (শুক্রবার) দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয়। তবে বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। নেটিজেনদের মূল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই জুটির বয়সের ব্যবধান।
পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সূত্রে জানা গেছে, উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর জন্ম ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে, সেই হিসাবে তার বর্তমান বয়স ২২ বছর।
অন্যদিকে, পাত্র ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুবের জন্ম ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যার বর্তমান বয়স ৪৩ বছর। অর্থাৎ নবদম্পতির বয়সের ব্যবধান প্রায় ২১ বছর। ২২ বছর বয়সী দীপ্তির সাথে ৪৩ বছরের মুশতাকের এই বিয়ে নিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
নেটিজেনদের একাংশ এই বিশাল বয়সের ফারাক নিয়ে সমালোচনা ও ট্রল করলেও, বড় একটি অংশ একে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকের মতেই, বয়স কেবলই একটি সংখ্যা; ক্যারিয়ারে সফল এবং মানসিকভাবে পরিপক্ব দুজন মানুষের সুন্দর জীবনের সূচনায় শুভকামনা জানানোই উচিত।
উল্লেখ্য, গত বছর একটি টকশো-তে ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার সাথে উপস্থাপনা করে রাতারাতি ব্যাপক পরিচিতি পান দীপ্তি চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁর স্বামী ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা একজন খ্যাতিমান গবেষক। সব সমালোচনা পেছনে ফেলে এই গুণী জুটি এখন জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন।










































