
বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ অন্য সমন্বয়কদের সঙ্গে হাতাহাতির পর্যায়েও গিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে এ অভিযোগ তোলেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘নাহিদ-আসিফ ডিবিতে মার খেতো, আর হাসনাত-সারজিস ডিবি কার্যালয়ের পুকুরপাড়ে জুস খেতো।’ কেন তাদের এভাবে আপ্যায়ন করা হতো, তার ব্যাখ্যা ওই অডিওতেই রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রকাশিত অডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কখনোই কনফ্রন্টেশনে যেতে চাইনি। আমার ফোকাস ছিল কোটা সংস্কার, আমি কোটা সংস্কারেই থাকতে চেয়েছি। এখন সমন্বয়কদের মধ্যে কেউ যদি আগ বাড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তার দায় তো আমি নেব না। আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এটা নিয়ে হাতাহাতি হওয়াই শুধু বাকি ছিল।’
বিএনপি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপির এমপিদেরকে বলবো, সংসদে সে যখন বেশি কথা বলবে, তখন এই অডিওটা বেশি বেশি বাজাবেন।’
রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন যে, হাসনাত ও সারজিস মূলত আওয়ামী লীগের পক্ষের লোক। তার ভাষায়, ‘প্রকৃতপক্ষে তারা আওয়ামীলীগের পক্ষেরই লোক।’ তিনি জানান, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন ছিল তাদের পূর্ববর্তী দুর্বলতা ঢাকার কৌশল।
পোস্টে তিনি একজন উপদেষ্টার বরাত দিয়ে লেখেন, ‘একজন উপদেষ্টা শপথ নেওয়ার আগে ৭ আগস্ট রাত ২.০০ টার দিকে বলেছিলো হাসনাত-সারজিস জাতির সাথে বেইমানি করেছে।’
গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বইয়ে গণঅভ্যুত্থানের কেবল ইতিবাচক দিক উঠে এসেছে, কিন্তু হাসনাত-সারজিসের ‘বেইমানির ইতিহাস’ আসেনি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইতে গণঅভ্যুত্থানে শুধুমাত্র ইতিবাচক দিকটা উঠে এসেছে, কিন্তু হাসনাত-সারজিসের বেইমানির ইতিহাসটা আসে নাই। আশা করি, পরবর্তী এডিশনে আমরা সেটা পাবো….. আর না পেলে ৭১ এর মত ২৪ এর বানোয়াট ইতিহাসই আমাদের সম্বল হবে।’













































