প্রচ্ছদ সারাদেশ কেন জানি মনে হচ্ছে এই কাহিনীটার আরও পার্ট আছে

কেন জানি মনে হচ্ছে এই কাহিনীটার আরও পার্ট আছে

মহিলার টেম্পার ইস্যু আছে এট সত্যি তবে এটার সাথে পরকীয়া রিলেটেড কাহিনী এড করার জন্যই টেম্পারটাকে হাইলাইট করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে ।

মহিলার বাড়িঘর, না উঠানো মশারি দেখে মনে হচ্ছে সে তার বাচ্চার পিছেই পরে থাকে সারা দিন । বাচ্চার স্বাস্থ্য নিয়ে অনেকে বলছে কেমন মা বাচ্চাকে এভাবে খাওয়ায়।

বিশ্বাস করেন আমি অনেক প্যারেন্ট দেখছি যারা হাত পা আটকে কোন রকমে বাচ্চার মুখে ঠুসে দেয়াটাই সাকসেস মনে করে। মহিলা একা দেখে হয়তো বেধে নিয়েছে। কিন্তু একজন চেপে ধরে আরেকজন খিচুড়ি খাওয়ানোর ফিডারে খিচুড়ি ঠুসে দেয় এই দৃশ্য খুব একটা আনকমন না ।

কোন ভিডিওতে দেখলাম না এমনিতে বাচ্চাটাকে মারছে । খাওয়ানোর টাইমেই উনি এমন আচরণ করে তার মানে এই টাইমেই মহিলা কন্ট্রোল হারায় ।

উনার হাজবেন্ড একটা স্পাই ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করে সরাসরি কেইস করে ফেললো। কোন আলোচনা, কাউন্সেলিং কিছু না । এবং সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিলো। একটা ভিডিওতে দেখলাম মহিলার পোশাক নেমে গিয়েছে । তার মানে উনার প্রাইভেসিকে সম্মান দেয়া হয়নি ।

পরকীয়ার দায় এসেছে, সেটার কোন ভিডিও নেই কেন ?? অন্য সময় বাচ্চাটার উপর অত্যাচারের কোন ভিডিও নেই কেন ?? ( নাকি আমি দেখিনি?? প্লিজ জানাবেন )

আরেকটা কথা আমার বাচ্চাদের চিকন স্বাস্থ্যের জন্য যে পরিমাণ কটাক্ষের সম্মুখীন আমি হয়েছি যদি আমার পড়াশোনা কম আর সাপোর্টিভ হাজবেন্ড না থাকতো তাহলে আমিও হয়তো এমন ক্রেজি হতাম ” বাচ্চা মোটাতাজা ” করনে । মহিলা দোষী কিন্তু জেলে যাওয়ার মতো অপরা”ধী কিনা সেটা জানতে হবে । এখন যাদের কাছে বাচ্চা তারা কি খুব ধৈর্য্য ধরে ” তুনু মুনু ” করে বাচ্চাটাকে পালতে পারছে কিনা সেটাও জানতে হবে ।

একটা ভিডিও কখনোই পুরো ঘটনার আয়না হতে পারেনা, এট লিস্ট একজন মা কে জাজ করার জন্য এনাফ না ।