
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেত্রী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। সংসদ অধিবেশনে জামায়াত সদস্যদের উপস্থিতির একটি ছবি শেয়ার করে তিনি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ, ২০২৬) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আইভী লেখেন, “ছবিটা একটা স্মৃতি। কারণ আগামী ৫-১০ বছরের মধ্যে এইখানে উপস্থিত অনেক রাজাকারের বাচ্চার ফাঁসি হবে।”
তিনি ২০০১ সালের সংসদীয় ইতিহাসের উদাহরণ টেনে আরও মন্তব্য করেন, “যেভাবে ২০০১ সালে সংসদে গিয়ে পরের সংসদে ফাঁসির দড়িতে ঝুলেছিলো। তাই হতাশ নয়। যুদ্ধ সবে শুরু।”
আইভীর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর অনুসারীরা এই পোস্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এ ধরনের মন্তব্য বর্তমান স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে নবগঠিত সংসদে যখন বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী আসন গ্রহণ করেছে, তখন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেত্রীর এমন কঠোর অবস্থান দলটির ভবিষ্যৎ কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এটিই প্রথম সংসদ অধিবেশন যেখানে জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ডা. আইভীর এই পোস্টের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।












































