
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কানেকশন (যোগসূত্রতা) পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান তিনি।
বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাঁর গাড়িচালকসহ নিখোঁজ হন। এরপর থেকে এখনো তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, শেখ মামুন খালেদ ২০১১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গুম, খুনসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা একটি মামলায় গ্রেফতার শেখ মামুন খালেদকে ১৩ এপ্রিল দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, মামুন খালেদকে এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ডিবিও (পুলিশের গোয়েন্দা শাখা) তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। মামুন খালেদের কাছ থেকে ইলিয়াস আলীর গুম–সংক্রান্ত কিছু কানেকশন পাওয়া গেছে।
ইলিয়াস আলীকে গুমের তদন্তে জোরালো তৎপরতা চালাচ্ছেন উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্ত শেষে ইলিয়াস আলীর গুমের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হবে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন হবে আশা করছি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ইলিয়াস আলীকে গুমের বিষয়ে আরও কিছু তথ্য তাদের কাছে এসেছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু প্রকাশ করতে পারবো না।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসানের যে মামলাটা চলছে, সেখানে কিছু কিছু সাক্ষীর বক্তব্য থেকে তারা ইলিয়াস আলীকে গুমের ‘কানেকশনের’ কিছু এভিডেন্স (তথ্যপ্রমাণ) এরই মধ্যে সংগ্রহ করেছি।











































