
বিশ্ববাজারে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছে এবং এ পরিস্থিতিতে দেশে তেলের দাম আরও অনেক বেশি বাড়তে পারত বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। তার দাবি, তারেক রহমানের পরিবর্তে অন্য কেউ দায়িত্বে থাকলে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারত।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন। সাক্ষাৎকারে তিনি বিশ্ববাজারে চলমান সংকট এবং দেশের জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে তার বক্তব্য তুলে ধরেন।
রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের পরিবর্তে অন্য কেউ দায়িত্বে থাকলে দেশে তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হতে পারত। তবে তারেক রহমান তেলের দাম বাড়াতে চাননি বলেও দাবি করেন তিনি।
যুবদলের এই নেতা আরও বলেন, একটা পর্যায়ে দেশের মানুষও তেলের দাম বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কারণ, দাম বাড়লেও অন্তত বাজারে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং তেল আমদানি করা সম্ভব হবে-এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নয়ন বলেন, তারেক রহমান যদি হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিতেন, তাহলে রাজনৈতিকভাবে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা তৈরি হতে পারত। তার ভাষায়, তখন বলা হতো-‘ক্ষমতায় এসেই তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।’
এদিকে, রোববার রাতে সরকার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারের এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পরই রবিউল ইসলাম নয়নের দেওয়া সাক্ষাৎকারের বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তার ‘৫০০-৭০০ টাকা’ মন্তব্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে জ্বালানি তেলের দাম ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত হওয়ার যে সম্ভাবনার কথা নয়ন উল্লেখ করেছেন, সেটি তার নিজস্ব রাজনৈতিক বক্তব্য বা আশঙ্কা হিসেবে সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে; এটি কোনো সরকারি মূল্য পূর্বাভাস নয়।









































