প্রচ্ছদ আর্ন্তজাতিক দিল্লি ডেকেছিলো, কিন্তু ঢাকা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, আমরা আসছি না

দিল্লি ডেকেছিলো, কিন্তু ঢাকা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, আমরা আসছি না

দিল্লি ডেকেছিলো, কিন্তু ঢাকা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, আমরা আসছি না! হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। ভারতে হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তো যাচ্ছেনই না, এমনকি বাংলাদেশের কোনো রিপ্রেজেন্টেটিভও সেখানে পা রাখছেন না। আজ একদম অফিশিয়ালি এই খবর কনফার্ম করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

দিল্লি কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি ‘বাংলাদেশের পিএম’ হিসেবে ইনভাইট করে নাই। তারা দাওয়াত পাঠিয়েছে ‘বিমসটেক’জোটের চেয়ারম্যান হিসেবে।
মানে, সরাসরি ঘরের মানুষকে না ডেকে, অন্য পদের উছিলায় ঢাকা। এই প্যাঁচানো ইনভাইটেশন বাংলাদেশের পছন্দ হয় নাই। সোজা কথা, নো রেসপেক্ট, নো এন্ট্রি৷

প্রতিমন্ত্রী তো মিডিয়ার সামনে সরাসরিই ধুয়ে দিলেন। তিনি বললেন, দাওয়াত দিছে বিমসটেক চেয়ারম্যানকে, এখন আমরা কি আমাদের রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে বিমসটেকের সেক্রেটারি জেনারেলকে পাঠাবো নাকি? লজিক খুব সিম্পল, সম্মান না থাকলে সেখানে কোনো প্রতিনিধি পাঠানোর প্রশ্নই আসে না।

বাংলাদেশ পরিষ্কার মেসেজ দিয়ে দিছে, হুট করে একটা বড় ইন্টারন্যাশন্যাল কনফারেন্সের ফাঁকে কোণায় বসে ভারতের সাথে আড্ডা মারার বা বৈঠকের কোনো ইচ্ছা আমাদের নাই। যা হবে, সামনাসামনি আর স্পেশাল হবে। পরিবেশ যখন জমবে, তখন প্রধানমন্ত্রী আলাদা করে অফিশিয়াল দ্বিপক্ষীয় সফরে সোজা দিল্লি যাবেন। ওইখানে বসে একদম ওয়ান-টু-ওয়ান মেগা ডিল হবে।

১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির ‘ভারত মণ্ডপম’-এ ব্রিকসের মেলা বসছে বসুক। বাংলাদেশ নিজের স্ট্যান্ডে একদম ক্লিয়ার আর শক্ত।
আপনার কী মনে হয়? ঢাকার এই সিদ্ধান্ত কি একদম পারফেক্ট, নাকি যাওয়া উচিত ছিলো?