প্রচ্ছদ জাতীয় এক জেলায় টানা ৭ দিন লোডশেডিং নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

এক জেলায় টানা ৭ দিন লোডশেডিং নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

বার্ষিক উন্নয়ন কাজের কারণে কু‌ড়িগ্রামে টানা সাত দিন লোড‌শে‌ডিং দেয়ার সিদ্ধান্ত থে‌কে আপাতত স‌রে এসেছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পা‌নি বাংলা‌দেশ পিএল‌সি। চলমান এইচএস‌সি পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে পরীক্ষা শে‌ষে উন্নয়নকাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)।

কু‌ড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রিড সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজের সু‌বিধা‌র্থে ২৯ জুলাই থে‌কে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা সাত দিন জেলাজু‌ড়ে লোড‌শে‌ডিং থাকতে পারে বলে জানিয়েছিল পাওয়ার গ্রিড কোম্পা‌নি বাংলা‌দেশ।

বিষয়টি জেলাজু‌ড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমা‌লোচনার পাশাপাশি প্রতিবাদ করেন অনেকে। একদিকে এইচএস‌সি পরীক্ষা চলমান, অন্যদিকে তীব্র গর‌ম। এ পরিস্থিতিতে টানা লোডশেডিংয়ের সিদ্ধা‌ন্ত নেয়া ঠিক হয়নি বলেও মনে করেন কেউ কেউ। এমন অবস্থায় উন্নয়ন কাজ শুরুর সিদ্ধান্ত থে‌কে স‌রে আসে পাওয়ার গ্রিড।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নেস‌কোর কু‌ড়িগ্রা‌মের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম ব‌লেন, প্রতি বছর এরকম সময়ে সঞ্চালন লাইনের উন্নয়ন কাজ করা হয়। এবারও সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু এইচএস‌সি পরীক্ষা চলমান থাকায় আগামী ৭ আগস্ট পর্যন্ত উন্নয়ন কাজ স্থগিত করা হ‌য়ে‌ছে।

এ কর্মকর্তা আরও জানান, মৌ‌খিকভাবে কাজ স্থগিতের তথ্যটি জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে। আগামী ৮ আগস্ট সঞ্চালন লাইনের উন্নয়ন কাজ শুরু হতে পারে। কাজ শুরু হলে জেলায় লোড‌শে‌ডিং হতে পা‌রে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও নেস‌কো উভয় পর্যায়ের গ্রাহক এ কাজের আওতায় থাকবেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুলাই প্রকল্প পরিচালক (প্রধান প্রকৌশলী) মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানানো হয়, আওতাধীন ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং (জিটুজি) প্রকল্পের’ নির্মাণকাজের স্বার্থে রংপুর-কুড়িগ্রাম, রংপুর-লালমনিরহাট ও রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেয়া হবে। এ সময় নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)-এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় আংশিক লোডশেডিং হতে পারে। আগামী ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন শাটডাউনে থাকবে। এ কারণে নেসকোর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারগুলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় আংশিক লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।