প্রচ্ছদ জাতীয় রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনার শীর্ষে চার বিএনপি নেতা

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনার শীর্ষে চার বিএনপি নেতা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল পাঁচটায় সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর এখন সবার দৃষ্টি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সেদিকে। সরকার গঠনের পর থেকেই এ পদে আলোচনায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার নাম। তবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর ভাষ্য, সম্ভাব্যদের তালিকা এখন অনেকটাই সংক্ষিপ্ত।

সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন—এমন একটি সূত্রে জানা যায়, বাইরে থেকে নয়, বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য থেকেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। ওই সূত্র জানিয়েছে, সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে অত্যন্ত সন্তর্পণে।

বিএনপি সরকার গঠনের সময় থেকেই রাষ্ট্রপতি পদে দলের সম্ভাব্য অনেকের নাম আলোচনায় আসে। এর মধ্যে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অন্যতম। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় এসেছে।

বিএনপি দলীয় ও এর বাইরের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শারীরিক প্রতিকূলতাসহ নানা বিবেচনায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনেকে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতির আলোচনায় পিছিয়ে পড়েছেন। গত দুই দিনে সেখানে জোরালো হয়ে আলোচনায় এসেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলামের নাম। সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি পদে নতুন নতুন মুখের আলোচনার মধ্যে নানা বিবেচনায় দলের ভেতরের একটা অংশ মির্জা ফখরুল ইসলামকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করার ব্যাপারে সক্রিয় রয়েছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় এসেছে।

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সাংবিধানিক নিয়মে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এ নিয়ে দলের উচ্চপর্যায় সিদ্ধান্ত নেবেন।

এসব বিবেচনায় রাজনৈতিক বোদ্ধাদের অনেকে বলছেন, ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগপর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলতেই থাকবে।