
আগামী অক্টোবরের শুরু থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনে ভোট দিতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ রাখছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এ বিষয়ে কথা হলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ কালবেলাকে বলেন, ‘নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ ৩০ জুন পর্যন্ত রাখতে চেয়েছিল কমিশন। পরে কর্মকর্তারা একটু বাড়িয়ে দেওয়ার সুপারিশ করে। পরে সেটা আমরা ৩১ জুলাই পর্যন্ত করে দিয়েছি।’
অক্টোবর থেকে নির্বাচন শুরু করার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করা হচ্ছে উল্লেখ করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। সরকার এখনো কোনো চিঠি দেয়নি।’
কোনটি দিয়ে ভোট শুরু করা হবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন করতে কোনো সমস্যা নেই। তবে জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কখনো হবে না, যতক্ষণ না দুইটা (ইউপি ও পৌরসভা) করব। কারণ তাদের মেম্বার-চেয়ারম্যান ওখানে সদস্য। তাই ১০০ ভাগ জেনে নেন যে, আমাদের পৌরসভা এবং ইউনিয়ন ইউনিয়ন করে উপজেলা করতে হবে।’
ইউপি ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অক্টোবরে ভোটের জন্য কমবেশি ৪ হাজার ইউনিয়ন নির্বাচন উপযোগী হয়েছে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে। এখন কত ধাপে এবং প্রতি ধাপে কত দিনের ফারাক থাকবে তা নিয়ে গবেষণা করছে কমিশন।
সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে ইসির পুরো প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে ব্যালট পেপারের কাগজ কিনতে বিজি প্রেসের বাজেটও অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
সূত্র আরও জানায়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন) নির্বাচনের আচরণবিধিমালা খসড়ায় মতামত দিতে ৩০ পর্যন্ত সময় ছিল। নির্ধারিত সময়ের ছয়টি রাজনৈতিক দল ও পাঁচজন ব্যক্তি মতামত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এখন তাদের মতামত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আর নির্বাচনি পরিচালনা বিধির খসড়া চূড়ান্ত করার কাজও প্রায় শেষ করে আনছে বলে জানা গেছে।
আগে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবসে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতো কমিশন। আইন সংশোধন করে এখন কমিশন চাইলে যেকোনো সময় ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে পারে। বর্তমানে ইসির সার্ভারে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন ভোটার রয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ১ হাজার ২৪৩ জন।











































