প্রচ্ছদ জাতীয় এই এলাকার মালিক আমরা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলে কাজ হবে?

এই এলাকার মালিক আমরা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলে কাজ হবে?

এলাকা দেখাশোনা করি আমরা, এই এলাকার মালিক হইলাম আমরা। আমরা যদি আপনার বিচার না কইরা দেই ডিআইজি, আইজি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলে কাজ হইবো?” প্রধানমন্ত্রীর খবর

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বাট্টা হাওর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দুই উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম ও সুবাস চন্দ্র বর্মনের বিরুদ্ধে এক ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। হামলায় তিনি আহত হন। একই সঙ্গে তার বসতঘরে ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয় এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ভুক্তভোগীর দাবি, অভিযোগের তদন্ত করতে সম্প্রতি এসআই রেজাউল ইসলাম ও এসআই সুবাস চন্দ্র বর্মন তার বাড়িতে যান। সাদা পোশাকে গিয়ে তারা ঘরের ভেতরে বসে তার সঙ্গে এমন আচরণ করেন, যা তিনি অসম্মানজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মনে করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তদন্ত চলাকালে দুই কর্মকর্তা পায়ের ওপর পা তুলে বসে কথা বলেন এবং বিভিন্ন মন্তব্য করেন, যা একজন ভুক্তভোগীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, শারমীন আক্তার বিচার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, “বিচার না পেলে আমরা ২৪ ঘণ্টা এখানে বসে থাকবো। বিচার পাইনি বলেই আমরা এখানে অবস্থান করছি।”

জবাবে এসআই রেজাউল ইসলাম বলেন, “আপনাদের যেকোনো সমস্যা, আপদ-বিপদ বা প্রয়োজনের কথা আমাদের বলবেন।” তখন শারমীন আক্তার বলেন, “আপনাদের কাছ থেকে আমরা কোনো সহযোগিতা পাইনি।”

এ সময় এসআই সুবাস চন্দ্র বর্মন জানতে চান, “আপনারা আসলে কী চান?”