
বগুড়ার একটি আবাসিক হোটেলে সাবেক ইউপি সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি দেখে এক নারী দাবি করেছেন, ঘটনাটির সঙ্গে আলোচনায় থাকা ওই নারী প্রায় নয় বছর আগে তার স্বামীকে নিয়ে নিখোঁজ হন।
গত ৬ জুন বগুড়া শহরের চারমাথা এলাকায় অবস্থিত সেঞ্চুরি মোটেলের একটি কক্ষ থেকে এরুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য বিপুল চন্দ্র পালের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে থাকা মুর্শেদা নামে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।
এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে কাহালু উপজেলার সাগাটিয়া গ্রামের এক গৃহবধূ নতুন অভিযোগ সামনে আনেন। তার দাবি, প্রায় নয় বছর আগে তার স্বামী ইনসান প্রামাণিক ওই নারীর সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে চলে যান এবং এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ মেলেনি।
অভিযোগকারী নারী জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোনো তথ্য পাননি তিনি। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট নারীকে শনাক্ত করেন বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি পুলিশ। কাহালু থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এদিকে সাবেক ইউপি সদস্য বিপুল চন্দ্র পালের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থলে থাকা নারীসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
একদিকে হোটেল কক্ষে সাবেক জনপ্রতিনিধির রহস্যজনক মৃত্যু, অন্যদিকে একই ঘটনায় আলোচনায় থাকা নারীকে ঘিরে পুরনো নিখোঁজের অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।











































