
চলতি জুন মাসেই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন দীনেশ ত্রিবেদী। শুক্রবার (৫ জুন) দিল্লির এক কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র জানায়, শুক্রবার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে তার নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে লেটার অব ক্রিডেন্স গ্রহণ করেছেন। শিগগিরই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
এর আগে গত এপ্রিলের শেষের দিকে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সাবেক রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অন্তরবর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন চলতে থাকে। তবে নতুন রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলে দু দেশই কার্যকর সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত হয়। এরই প্রেক্ষাপটে বিজেপির এই রাজনৈতিক নেতাকে বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷
ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো কালবেলাকে জানায়, এই রাজনৈতিক নেতাকে ঢাকায় পাঠানো এক বিশেষ বার্তা বহন করে, অন্তরবর্তী সরকারের সময় দু-দেশের যে টানাপোড়েন চলছিল তা কাটিয়ে নতুন সরকারকে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারত রাজনৈতিক স্তরে সরাসরি যোগাযোগ করতে প্রস্তুত বলেই রাজনৈতিক নেতাকে পাঠানো হচ্ছে।
সূত্র বলছে, গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢাকায় ভারত সাধারণত ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট (পেশাদার আমলা) পাঠিয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিজেপি নেতা) পাঠানো হচ্ছে। এটি বলে যে সম্পর্ক এখন আর শুধু আমলাতান্ত্রিক নয়, বরং রাজনৈতিক স্তরে পরিচালিত হবে।
দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র জানায়, দীনেশ ত্রিবেদী পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ (ব্যারাকপুরের সাবেক এমপি, তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেছেন)। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বোঝেন, দুই বাংলার সীমান্ত-সাংস্কৃতিক ইস্যুতে গভীর ধারণা আছে। এটি ভারতের জন্য বড় অ্যাসেট। তিনি সরাসরি মোদি সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন, পার্টি-টু-পার্টি আলোচনা করতে পারবেন। যা একজন সাধারণ ডিপ্লোম্যাট সহজে পারেন না।
সূত্র : কালবেলা













































