
কথায় আছে না, মাছের তেল দিয়ে মাছ ভাজবো।ডাকসুর শিবির প্যানেলে বেপর্দা নারী এইটা কোন কথা? প্রথমে দেখে সবার মত আমিও অবাক হয়েছি।বলছি ফাতেমা তাসলিম ঝুমার কথা।ঢাবি শিবিরের তীক্ষ্ণ কৌশলের কাছে পরাজিত হলো বাম রাজনীতি।
শিবিরের বিরুদ্ধে নারী বিদ্বেষী অনেক ট্যাবু প্রচার করেছিল বামপন্থীরা। শিবির পাশ করলে নারীদের হল থেকে বের হতে দেবে না। নারীদেরকে বোরকা পরিয়ে রাখবে ইত্যাদি।ফাতেমা তাসনি ঝুমাও বাম রাজনীতির সাথে সংযুক্ত ছিল। সেজন্য ঝুমাকে দিয়ে বামদের বিরুদ্ধে একটা শক্ত অবস্থান তৈরি ছিল মূল লক্ষ্য।
যেমন কথা তেমন কাজ। শিবিরের বিরুদ্ধে নারী বিদ্বেষী যত ট্যাবু বামপন্থী নাস্তিকরা প্রচার করেছিল প্রত্যেকটা ট্যাবুকে নর্মালাইজ করার জন্য ফাতেমা তাসনি ঝুমা ব্যাপকভাবে কাজ শুরু করল। বামপন্থীদের সকল মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ঝুমা ভেঙ্গেচুরে তছনছ করে দিল। ধীরে ধীরে নারী সমাজের কাছে শিবিরের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে শুরু করলো।
মেঘ মোল্লারা তখন কৌশলে ঝুমার অতীতের একটা ড্যান্সের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল করে দিল। তারা প্রচার করতে লাগলো ইসলামী দলের সাথে একজন ড্যান্সার কিভাবে জায়গা পেল?
আচ্ছা একজন ড্যান্সার কি ইসলামের দাওয়াত পেতে পারে না? তাকে কি ভালো হওয়ার সুযোগ দেওয়া যায় না ?তাকে কি ভালো কাজের পরামর্শ দেওয়া যায় না ?
মানুষকে পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। অল্প দিনে কিভাবে দ্বীনের পথে ফিরতে হয় কিভাবে পর্দা করতে হয় নামাজ পড়তে হয় ঝুমা আপু দেখিয়ে দিয়েছেন।
সবশেষে একটা কথা বলি, সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, আর অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। জুমা ডাকসুতে কাজ করার সময় শিবিরের সঙ্গ পেয়েছে বলেই নিজেকে পরিবর্তন করেছে।
ফাতেমা তাসনিম ঝুমা আপুর জন্য অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।













































