প্রচ্ছদ অর্থ ও বাণিজ্য ঈদের আগে স্বর্ণের দামে বড় সুখবর

ঈদের আগে স্বর্ণের দামে বড় সুখবর

ঈদুল আজহার আগে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা।

শনিবার (১৬ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় বাজুস। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের এ নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।

এর আগে সর্বশেষ গত ২১ মে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সে সময় প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা। ওই দাম কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৬৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩২ দফা কমানো হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকায়।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৩৯ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বার দাম বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং মাত্র ৩ বার কমানো হয়েছিল।